স্মৃতিতে অমস্নান দৈনিক
বাংলা, বিচিত্রাযাযাদি রিপোর্ট
দৈনিক বাংলা, সাপ্তাহিক বিচিত্রা ও আনন্দ বিচিত্রা এখন আর ছাপার কাগজে নেই। কিন্তু সাংবাদিক ও পাঠকদের স্মৃতিতে অমস্নান হয়ে আছে এক সময়ের সাড়া জাগানো সংবাদপত্রগুলো।
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবের অতিথিকক্ষে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে এ তিনটি সংবাদপত্রের সাংবাদিকরা একত্রিত হলে স্মৃতিচারণায় উঠে আসে প্রকাশনাকালের নানা বিষয়।
অনুষ্ঠানের আয়োজক ছিলেন দৈনিক বাংলার সাংবাদিক হাসান হাফিজ, কাজী রওনক হোসেন ও সৈয়দ আবদাল আহমেদ। জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ সাংবাদিকদের স্বাগত জানান।
অসুস্থ শরীর নিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন সর্বজন শ্রদ্ধেয় দৈনিক বাংলার নির্বাহী সম্পাদক ফওজুল করীম (তারা ভাই)। তাকে ঘিরেই সবার মুখে ছিল পুরানো দিনের স্মৃতিচারণ, সংবাদকক্ষে তার কাজকর্ম নিয়ে মজার অনেক ঘটনার বর্ণনা। স্মিত হাস্যে তারা ভাই সবার কথাই শোনেন।
অনুষ্ঠানে দৈনিক বাংলার সাংবাদিকদের মধ্যে যারা মারা গেছেন তাদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন সহকর্মীরা।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক খন্দকার আলী আশরাফ, সালেহ চৌধুরী, কনিকা মাহফুজ, নিমেলেন্দু ভৌমিক, আবদুল হালিম, সাজ্জাদ কাদির, মুহাম্মদ কামরুজ্জামান, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, সৈয়দ লুৎফল হক, হাফিজুর রহমান, রাশিদ-উন-নবী বাবু, চিন্ময় মুৎসুদ্দী, কামরুজ্জামান, মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, আলমগীর রহমান, ওয়াসি আনসারী, চন্দন সরকার, আমীরুল ইসলাম, নাজমুল হাসান ও শফিক চৌধুরী।
এছাড়া আবদুল হাই শিকদার, জাহাঙ্গীর ফিরোজ, মজিদ মাহমুদ, রফিকুল ইসলাম রতন, সুমন মাহমুদ, আবু বকর, জহিরুল আলম, সাইদুর রহমান শামীম, রুহুল গনি জ্যোতি, রফিকুর রহমান রেকু ও মীর ফরিদ উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের সংবাদ নিয়ে 'দৈনিক পাকিস্তান' ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর 'দৈনিক বাংলা' নামে পুনর্যাত্রা করে।
১৯৯৭ সালের ১ অক্টোবর তৎকালীন সরকার দৈনিক বাংলা-টাইমস ট্রাস্ট বিলুপ্ত করলে দেশের অন্যতম পুরনো পত্রিকা দৈনিক বাংলা, বাংলাদেশ টাইমস, সাপ্তাহিক বিচিত্রা ও সাপ্তাহিক আনন্দ বিচিত্রার প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়। দৈনিক বাংলা ও সাপ্তাহিক বিচিত্রায় দেশের স্বনামধন্য অনেক সাংবাদিক কাজ করতেন যাদের অনেকেই দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে শীর্ষপদে কাজ করছেন।