বুধবার, জুন, ১৯, ২০১৩: আষাড় ০৫, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ৯ শাবান, ১৪৩৪ হিজরি, ০৮ বছর, সংখ্যা ১৪ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
আলোচনায়
আগ্রহ নেই বিসিবিরমঙ্গলবার কোয়াব সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পাল নিজেদের এ উদ্যোগের কথা জানান। একই সঙ্গে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ৬ জুন দেয়া চিঠির ব্যাপারে বোর্ডের এখনো অনীহা রয়েছে।ক্রীড়া প্রতিবেদক বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) আবারো আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)। মঙ্গলবার কোয়াব সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পাল নিজেদের উদ্যোগের কথা জানিয়ে বলেন, 'লিগ বয়কট নিয়ে ক্রিকেটারদের সোমবার নেয়া সিদ্ধান্তগুলো লিখিতভাবে জানানোর প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। শিগগিরই তা ক্রিকেট বোর্ডের হাতে পেঁৗছে দেয়া হবে।' একই সঙ্গে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, '৬ জুন দেয়া চিঠির ব্যাপারে বোর্ডের এখনো অনীহা রয়েছে।' কোয়াবের সে চিঠিতে দেয়া বোর্ড-ক্লাব-ক্রিকেটার তিন পক্ষের আলোচনার অনুরোধটি বোর্ড গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করলে ক্রিকেটারদের লিগ বয়কটের পথে হাঁটার প্রয়োজন পড়ত না বলেও মনে করছেন ক্রিকেট সংশ্লিষ্টরা।এদিকে, ক্রিকেটকে বাঁচানোর গুরুদায়িত্ব কেবল নিজেদের কাঁধে রাখতে পারছেন না ক্লাব থেকে বিসিবির পদে আসীন হওয়া কর্মকর্তারা। সব সময়ই তারা নিজেদের অবস্থান গুলিয়ে ফেলেন ক্লাবের স্বার্থ বিবেচনার ইস্যুতে। এটা অনেক পুরনো অভিযোগ। যার সর্বশেষ উদাহরণ, ১৭ জুন ক্রিকেটারদের ঘরোয়া আসর বয়কটের সিদ্ধান্ত জানানোর পর মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্তও কোনো অবস্থান জানাতে পারেনি ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগের আয়োজক সিসিডিএম। অথচ বোর্ডের ঘোষিত রোটেশন পদ্ধতির নিলামের আগে হাতে সময় রয়েছে মাত্র দিন চারেক (২৩ জুন)। ইতোমধ্যেই অবশ্য এক দফায় পেছানো হয়েছে নিলাম ও লিগ শুরুর প্রাথমিক (২০ জুন নিলাম ও ৩ জুলাই টুর্নামেন্ট) তারিখ। আর এবারতো নিলাম নিয়ে বেঁকে বসেছেন খোদ ক্রিকেটাররাই। পারিশ্রমিক ও ক্লাব পছন্দের গত চার দশকের ইতিহাস কোনোভাবেই পরিবর্তন করতে রাজি নন ক্রিকেটাররা। অথচ বিসিবির ভাবনাজুড়েই রয়েছে শুধু ক্লাবগুলোর স্বার্থর্ রক্ষা করা। এদিকে, প্রিমিয়ারের সর্বশেষ অবস্থা জানতে মঙ্গলবার মিডিয়াগুলো হন্যে হয়ে খুঁজলেও কমিটির চেযারম্যান জালাল ইউনুস রইলেন আড়ালেই। বিসিবিতে তাকে পাওয়া যায়নি, এমনকি তার মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সযত্নেই তা এড়িয়ে গেছেন সিসিডিএমের সঙ্গে বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধানের দায়িত্ব পালন করে চলা এই কর্তাব্যক্তি। এর কারণ প্রসঙ্গে কোয়াবের সাধারণ সম্পাদক বলেন, 'বিসিবি থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের কিছুই জানানো হয়নি। অবশ্য লিগ বয়কট নিয়ে এখনো আমরা আমাদের দ্বিতীয় চিঠিও বোর্ডকে পাঠাইনি। প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে, শিগগিরই আমরা চিঠি দেব। তবে চিঠি দিয়ে আমরা কতটুকু লাভবান হব, তা বুঝতে পারছি না। কারণ প্রায় সপ্তাহ দুয়েক আগেও আমরা একটি চিঠি দিয়েছিলাম। তারও কোনো উত্তর আজপর্যন্ত দেয়নি ক্রিকেট বোর্ড। এমনকি আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের সঙ্গে বসারও প্রয়োজন বোধ করেনি তারা। আসলে অনেকটা বাধ্য হয়েই ক্রিকেটারদের কঠোর অবস্থানে যেতে হয়েছে।'
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নগ্রামীণ ব্যাংক ভেঙে ১৯ টুকরা
করার সরকারি সুপারিশ আদৌ গ্রহণযোগ্য ও বাস্তবসম্মত
বলে মনে করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |