বুধবার, মে, ২২, ২০১৩: জ্যৈষ্ঠ ৮, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ১১ রজব , ১৪৩৪ হিজরি, ০৭ বছর, সংখ্যা ৩৩৯ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
|
পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতায় বিএসইসির কাছে ডিএসইর প্রস্তাবনাযাযাদি রিপোর্ট পুঁজিবাজারে স্থিতিশীলতা ফেরানোর লক্ষ্যে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে গুরুত্ব প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। এরই ধারাবাহিকতায় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে বিশেষ প্রস্তাব দিয়েছে ডিএসই।সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ডিএসইর প্রেসিডেন্ট রকিবুর রহমান স্বাক্ষরিত লিখিত প্রস্তাবনা গত ১৯ মে বিএসইসির কাছে পাঠানো হয়। লিখিত প্রস্তাবে বলা হয়- বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক অনুমোদিত ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রভিশনিং গাইডলাইন ডিএসই সমর্থন করে। তবে ডিএসই মনে করে, লোকসান সমন্বয়ের জন্য এর মেয়াদ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন। এছাড়া বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার কথা মাথায় রেখে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ থেকে আন-রিয়েলাইজড লসের বিপরীতে ৫ কিস্তিতে প্রভিশন সংরক্ষণের মেয়াদ ৩১ মার্চ-২০১৩ থেকে গণনার পরিবর্তে ৩০ জুন-২০১৪ থেকে গণনা করা প্রয়োজন। এ প্রস্তাব ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছেও দেয়া হয়েছে বলে ডিএসইর চিঠিতে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের উদ্ভূত ক্ষতি ৩০ জুন-২০১৪ পর্যন্ত বিবেচনার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবে আরো বলা হয়, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ড (আইএএস) এবং বাংলাদেশ অ্যাকাউন্টিং স্ট্যান্ডার্ড (বিএএস) অনুযায়ী আর্থিক খাতের বিনিয়োগ চার ক্যাটাগরিতে বিবেচ্য। এরমধ্যে অন্যতম হচ্ছে লেনদেননির্ভর বিনিয়োগ (ইনভেস্টমেন্ট হেল্ড ফর ট্রেডিং), যেখানে বিনিয়োগের জন্য সঠিক মূল্য নির্ধারণ জরুরি। এজন্য সমান সমান প্রভিশনিং বিবেচ্য। অন্য তিন ক্যাটাগরির বিনিয়োগের লাভ-লোকসান নির্ভর করে বিনিয়োগ পরিপক্কতার ওপর, যা কোম্পানির সম্প্রসারিত ব্যবসায় আয়ের সঙ্গে ইক্যুইটিনির্ভর। আইএএস/বিএএসের ৫৫(বি) ধারা অনুযায়ী ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ দীর্ঘমেয়াদি, যা কোম্পানির সম্প্রসারিত ব্যবসার আয়ের ওপর লাভ-লোকসান নির্ভর করে। আইএএস এবং বিএএস অনুযায়ী ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সব বিনিয়োগ চার ক্যাটাগরিতে বিবেচনা করার জন্য ডিএসই কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে অনুরোধ করেছে। লেনদেননির্ভর বিনিয়োগের ক্ষেত্রে লাভ-লোকসানের জন্য প্রভিশনিং ৫ মেয়াদে সংরক্ষণের জন্য প্রস্তাব দেয়া হয়েছে, যা ৩০ জুন-২০১৪ থেকে গণনার কথা বলা হয়েছে। অন্য তিন ক্যাটাগরির বিনিয়োগ প্রভিশনিংয়ের বাইরে রাখার প্রস্তাব দিয়েছে ডিএসই। ডিএসই প্রেসিডেন্ট লিখিত প্রস্তাবে আরো বলেন, 'ব্যাংক কোম্পানি (সংশোধনী) আইন-২০১৩' মন্ত্রিসভা ইতোমধ্যে অনুমোদন দিয়েছে। এতে পুঁজিবাজারে ব্যাংকের বিনিয়োগ পরিশোধিত মূলধনের (ইক্যুইটি) ২৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু বিদ্যমান আইনে তা মোট দায়ের ১০ শতাংশ। এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নবিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুম নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য_ মানবাধিকার নেত্রী সুলতানা কামালের এই বক্তব্যের সঙ্গে
আপনি কি একমত?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |