রোববার, মে, ১৯, ২০১৩: জ্যৈষ্ঠ ৫, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ৮ রজব , ১৪৩৪ হিজরি, ০৭ বছর, সংখ্যা ৩৩৬ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
|
সংসদে উঁকি দিয়ে চলে
যাবেন না : শেখ হাসিনাযাযাদি রিপোর্ট বিরোধী দলকে সংসদে থেকে তাদের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিরোধীদলীয় নেত্রীর উদ্দেশে তিনি বলেন, 'আমি বলব, পার্লামেন্টে আসুন, আলোচনা করুন। উঁকি দিয়ে চলে যাবেন না।'দীর্ঘদিন অধিবেশন বর্জন করে আসা বিরোধী দল আগামী বাজেট অধিবেশনে যোগ দেবে বলে শুক্রবার ইঙ্গিত দেন বিএনপি নেতা মওদুদ আহমদ। তার এক দিন পর শনিবার গণভবনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভার বক্তব্যে তাদের সংসদে থাকার আহ্বান জানান শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বিরোধীদলীয় নেতাকে ইঙ্গিত করে বলেন, 'উনার একটা স্টাইল আছে, সংসদে এক দিনের জন্য আসেন, বিরাট বক্তৃতা দিয়ে চলে যান। পত্রিকায় দেখলাম, ৭ দিন যদি পার্লামেন্টে না যান, তাহলে উনাদের সদস্যপদ চলে যাবে। ৯০ দিনের মধ্যে ৮২ দিন চলে গেছে।' আইন অনুযায়ী সংসদে একটানা ৯০ দিন অনুপস্থিত থাকলে সদস্যপদ খারিজ হয়ে যায়। বিএনপির সংসদ সদস্যরা আগামী অধিবেশনে যোগ না দিলে তাদের সদস্যপদ ঝুঁকির মুখে পড়বে। আগামী নির্বাচন নির্দলীয় সরকারের অধীনে হওয়ার দাবি করে আসা বিএনপিকে সংসদেই তাদের প্রস্তাব দিতে আহ্বান জানিয়েছেন সংসদ নেতা শেখ হাসিনা। তবে একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, 'আমি এখনো বলছি, বিশ্বের অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে যেভাবে নির্বাচন হয়, সেভাবেই এখানে নির্বাচন হবে। সেখানে (সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন পদ্ধতি) কিছু বলার থাকলে বলুন।' বিএনপি নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকার চাইলেও অনির্বাচিত কাউকে ক্ষমতায় বসাতে নারাজ আওয়ামী লীগ সভানেত্রী সর্বদলীয় একটি সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। নির্দলীয় সরকারের দাবিতে আন্দোলনরত বিরোধী দলকে হুশিয়ারও করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, 'গণতান্ত্রিক ধারা নিয়ে আমরা কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেব না। খুন, হত্যা, ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধ করতে হবে। না হলে এগুলো কিভাবে কঠোরভাবে দমন করা যায়, তা আমরা জানি।' তিনি বলেন, বিশৃঙ্খলা দমন করে অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে মহাজোট সরকার বদ্ধপরিকর। একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর মৃত্যুদ-ের রায়ের পর চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎ কেন্দ্র পুড়িয়ে দেয়ার নিন্দাও জানান শেখ হাসিনা। '৭৫ পরবর্তী সামরিক সরকারের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, 'তখন ভোটারদের ভোট দিতে দেয়া হতো না। প্রচারমাধ্যমে ঘোষণা দিয়ে ফলাফল পাল্টে দেয়া হতো।' দেশের প্রাকৃতিক সম্পদ গ্যাস বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে দেয়া হয়নি বলে উল্লেখ করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, '২০০১ সালে নির্বাচনের নামে কি হলো? আর্মি ডেপ্লয় করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অকথ্য নির্যাতন করা হলো। আওয়ামী লীগের এজেন্টদের ভোট কেন্দ্রে যেতে দেয়া হয়নি।' ওই নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের ঘটনাগুলো তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, 'এবার আমরা ক্ষমতায় এসে প্রতিশোধ নিতে যাইনি। তার ফল এখন পাওয়া যাচ্ছে।' দলকে শক্তিশালী করতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান আওয়ামী লীগ সভানেত্রী। সভায় আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্যদের মধ্যে আবদুল লতিফ সিদ্দিকী, সতীশ চন্দ্র রায়, নূহ-উল-আলম লেনিন, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আলাউদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ ও জাহাঙ্গীর কবির নানক, উপ-দপ্তর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস এবং উপ-প্রচার সম্পাদক অসীম কুমার উকিল উপস্থিত ছিলেন। এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
শেষের পাতা -এর আরো সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নবিএনপি সংসদ অধিবেশনে যোগ দিলে দেশের চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট কাটবে বলে কি
মনে করেন?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |