পূর্ববর্তী সংবাদ
মতামত :
¦
¦
গ্রেডিং পদ্ধতিকে পরখ করে দেখতে চান ক্রিকেটাররা'অন্তত একবারের জন্য গ্রেডিং পদ্ধতিকে যাচাই করে দেখা যেতে পারে। তারপরও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার জন্য এ পদ্ধতি মোটেও সুখকর হবে না।'ক্রীড়া প্রতিবেদক ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের নিলাম ২০ জুন এবং ১ জুলাই থেকে গ্রেডিং পদ্ধতি অনুসরণ করেই দুই দিন আগে লিগ শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। ফলে ক্লাব ক্রিকেটের দল বদলের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যকে পেছনে ফেলে সূচনা হতে যাচ্ছে নতুন এক অধ্যায়ের। তবে এখন পর্যন্ত ক্লাব কর্মকর্তা এবং ক্রিকেটার দুই পক্ষের লোকজনই ব্যস্ত রয়েছেন গ্রেডিং পদ্ধতি যাচাই-বাছাই করার জন্য ।
প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগের নতুন ফরম্যাট নিয়ে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক অলক কাপালি বলেন, 'খুশির ব্যাপার হলো অবশেষে লিগ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। তবে ফরম্যাটটা আমার কাছে খুব একটা ইতিবাচক কিছু মনে হয়নি। কারণ জাতীয় দলে আসা একজন ক্রিকেটারের জন্য সর্বোচ্চ গন্তব্য হয়, সেক্ষেত্রে এর শুরু কিন্তু ক্লাব ক্রিকেট থেকেই। তাই ক্লাব ক্রিকেট থেকে উক্ত ক্রিকেটার যথেষ্ট উপার্জন করতে ব্যর্থ হন, তাহলে এমনিতেই ওইসব ক্রিকেটার ঝরে পড়বেন। এখন পর্যন্ত লিগের বর্তমান ফরম্যাট দেখে আমার এমনই মনে হয়েছে। তবে হ্যাঁ অন্তত একবারের জন্য গ্রেডিং পদ্ধতিকে যাচাই করে দেখা যেতে পারে। তারপরও আমি বলব দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার জন্য এ পদ্ধতি মোটেও সুখকর হবে না।'
এদিকে মার্চে দল বদলে যেসব ক্লাব দল গোছানোর প্রক্রিয়ায় এগিয়ে ছিল কার্যত তারাই 'শ্রেণি বিভাজন (গ্রেডিং) অনুসারে এবং পর্যায়ক্রমিক পদ্ধতিতে' ক্রিকেটার নিলামের বিপক্ষে। তবে গত ২১ মে বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের সঙ্গে আলোচনায় তাদের সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট না হলেও শেষ পর্যন্ত ক্লাবগুলো মেনে নিয়েছে ক্রিকেট বোর্ডের নতুন এই প্রস্তাব। আর জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা যে নতুন এই ফরম্যাটের প্রিমিয়ার লিগ নিয়ে একমত নন তাতো বোর্ড সভাপতিকে আগেই জানিয়েছিলেন মুশফিকুর রহিম। তবে আপাতত জাতীয় দলের বাইরে থাকা ক্রিকেটারদের জন্য অন্তত এক মৌসুমের জন্য এ প্রক্রিয়াকে যাচাই করে দেখা যেতে পারে বলেও মনে করছেন ক্রিকেটাররা। তবে দীর্ঘমেয়াদি এ প্রক্রিয়াকে গ্রহণ করা হলে বাংলাদেশের তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য তা সুখকর হবে না বলেই মনে করছেন, বর্তমানে ক্লাব ক্রিকেট খেলে চলা জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটাররা।
যদিও ১২ ক্লাবের সবাই যেমন গ্রেডিং পদ্ধতির সঙ্গে একমত নন, তেমনি ক্রিকেটাররাও বিভক্ত হয়ে পরেছেন দুভাগে। জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা টাকার অঙ্ককে সামনে এনে গ্রেডিং পদ্ধতির বিপক্ষে অবস্থান নিলেও সাধারণ ক্রিকেটাররা অন্তত এক আসরের জন্য যাচাই করে দেখতে চান গ্রেডিং পদ্ধতিকে। এ প্রসঙ্গে একমত ডলার মাহমুদ ও ফয়সাল ডিকেন্সের মতো সিনিয়ররাও।
এ ব্যাপারে ডলার মাহমুদের ভাষ্য, 'আমরা যারা জাতীয় দলের বাইরে তাদের জন্য ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমরা চাই, লিগটা হোক। নতুন এই পদ্ধতিতে যে শুধু জাতীয় দলের ক্রিকেটাররাই যে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, তা তো নয়। কারণ আমার মতো সিনিয়র ক্রিকেটাররাও তো ক্ষতির সম্মুখীন হতে যাচ্ছি। তারপরেও আমার চাওয়া যেন প্রিমিয়ার লিগটা মাঠে গড়াক।'
 
পূর্ববর্তী সংবাদ
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নসংলাপে তৃতীয় পক্ষে মধ্যস্থতার দরকার নেই_ মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডবিস্নউ মজিনার এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2010 The Jaijaidin