শুক্রবার, মে, ২৪, ২০১৩: জ্যৈষ্ঠ ১০, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ১৩ রজব , ১৪৩৪ হিজরি, ০৭ বছর, সংখ্যা ৩৪১ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
ভবন বাঁচাতে বিজিএমইএ'র
আপিল আবেদনযাযাদি রিপোর্ট ![]() জলাধার রক্ষা আইন লঙ্ঘন করে হাতিরঝিলে গড়ে তোলা ভবন ভাঙতে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের আবেদন করেছে পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।সংস্থাটির আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বৃহস্পতিবার বলেন, সুপ্রিমকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় বুধবার আপিলের আবেদন ফাইল করা হয়েছে। বুধবারই এ মামলায় আপিলের আবেদন করার সর্বশেষ দিন নির্ধারিত ছিল। ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেনের বেঞ্চ ভবনটি ভাঙার নির্দেশ দেন। চলতি বছরের ১৯ মার্চ ওই রায়ের পূর্ণ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। আইন অনুসারে সার্টিফায়েড কপি পাওয়ার পর আপিলের আবেদন করতে ৬০ দিন সময় পায় আবেদনকারী। পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়, বিজিএমইএ ভবনটি সৌন্দর্যম-িত হাতিরঝিল প্রকল্পে একটি ক্যান্সারের মতো। এ ধ্বংসাত্মক ভবন অচিরেই বিনষ্ট না করা হলে এটি শুধু হাতিরঝিল প্রকল্পই নয়, পুরো ঢাকা শহরকে সংক্রামিত করবে। বিজিএমইএ যাদের কাছে ওই ভবনের ফ্ল্যাট বা অংশ বিক্রি করেছে, দাবি পাওয়ার এক বছরের মধ্যে তাদের টাকা ফেরত দিতেও নির্দেশ দেন আদালত। রায়ে বলা হয়েছে, ক্রেতাদের সঙ্গে ওই চুক্তি ছিল বেআইনি। কারণ, ওই জায়গায় ভবন নির্মাণ বা কোনো অংশ কারো কাছে বিক্রির কোনো অধিকার বিজিএমইএর ছিল না। 'তবে ক্রেতারা যেহেতু নিজেরাও জানত বা তাদের জানা উচিত ছিল যে, এই জমির উপর বিজিএমইএর কোনো মালিকানা নেই এবং ভবনটি বেআইনিভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। সুতরাং তারা কোনো ইন্টারেস্ট পাওয়ার দাবিদার নয়।' 'আর্থিক পেশিশক্তির অধিকারী বলে' শক্তিশালী একটি মহলকে 'আইনের ঊধর্ে্ব রাখতে হবে' এমন যুক্তি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলেও রায়ে বলা হয়। 'একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা হিসেবে বিজিএমইএর আইনের প্রতি আরো বেশি শ্রদ্ধাশীল হওয়া বাঞ্ছনীয় ছিল। তারা তা না করে আইনকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করেছে।'
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
মহানগর -এর আরো সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্ননির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সংলাপের আয়োজনে বিএনপির অনুরোধে সরকার সাড়া দেবে
বলে কি মনে করেন?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |