রোববার, মে, ২৬, ২০১৩: জ্যৈষ্ঠ ১২, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ১৫ রজব , ১৪৩৪ হিজরি, ০৭ বছর, সংখ্যা ৩৪৩ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
|
ছাত্রলীগের শিবির প্রেম!চট্টগ্রাম অফিস ![]() চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় পুলিশের সঙ্গে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী -যাযাদিশিবিরকর্মী সন্দেহে আটক একজনকে ছাড়িয়ে নিতে পাঁচলাইশ থানায় গিয়ে পুলিশের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের পাশাপাশি হাতাহাতি করেছেন ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এ সময় হাসান মুরাদ বিপ্লব নামে সাবেক এক ছাত্রলীগ নেতাকে ওসি প্রদীপ কুমার দাশের গায়ে হাত দিয়ে ধাক্কা দিতেও দেখা গেছে।শনিবার দুপুরে নগরীর পাঁচলাইশ থানায় এ ঘটনার পর শিবিরকর্মী সন্দেহে আটক একজনকে পুলিশ ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা সবাই নগর আওয়ামী লীগ নেতা আ জ ম নাছির উদ্দিনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। পাঁচলাইশ থানায় পুলিশের সঙ্গে অপ্রীতিকর ঘটনার সময় সেখানে হাসান মুরাদ বিপ্লব ছাড়াও কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক সদস্য আবদুল মান্নান ফেরদৌস, কমার্স কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি দিদারুল আলম, নগর ছাত্রলীগ নেতা হেলাল উদ্দিন, কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ওসমান গণিকে দেখা গেছে। হাসান মুরাদ প্রেম : পৃষ্ঠা ২ কলাম ২ বিপ্লব নগর ছাত্রলীগের স্টিয়ারিং কমিটির সাবেক সদস্য। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর পাঁচলাইশ থানার সামনে কিং অব চিটাগং নামে একটি কমিউনিটি সেন্টারে সদ্য এসএসসি পাস করা শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান থেকে শিবিরকর্মী সন্দেহে কমপক্ষে ৪০ জনকে আটক করে পুলিশ। থানায় অবস্থান করে দেখা গেছে, দুপুর ১টার দিকে দিদারুল আলম নামে একজন থানায় ঢুকে নিজেকে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দিয়ে উচ্চস্বরে আটক একজনের নাম উল্লেখ করে তাকে থানায় আনা হয়েছে কেন জানতে চান। এ সময় তিনি নির্দেশের ভঙ্গিতে অবিলম্বে তাকে ছেড়ে দেয়ার জন্য ওসির উপর চাপ সৃষ্টি করেন। ওসি প্রদীপ কুমার দাশ আটককৃতদের যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে দিদারুল আলমকে জানালে তিনি আরো ক্ষুব্ধ হয়ে ওসির সঙ্গে বাকবিত-া শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি ওসির দিকে তেড়ে যাওয়ারও চেষ্টা করেন। এ সময় ওসির বডিগার্ড দিদারুল আলমকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেন। ওসির নির্দেশে পুলিশ সদস্যরা দিদারুল আলমকে ডিউটি অফিসারের রুমে নিয়ে বসিয়ে রাখেন। এ সময় দিদারুল আলম বলেন, 'আমাদের পটিয়া থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মফজল ভাইয়ের ছেলেকে ধরে এনেছে শুনে আমি থানায় এসেছি। সে আমার ভাতিজা। এবার মাদ্রাসা থেকে এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেছে। আমি থানায় আসার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ আমার গায়ে হাত দেয়। বিএনপি-জামায়াতের আমলেও আমরা কোনোদিন পুলিশের কাছ থেকে এমন আচরণ পাইনি।' ওসমান গণি বলেন, 'আমি ছাত্রলীগের নেতা হিসেবে আসিনি। তথ্য ও মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘটনা দেখতে থানায় এসেছিলাম। পুলিশ আমাকে পিটিয়ে আমার মোবাইল কেড়ে নিয়েছে।' দুপুর ২টার দিকে অনুসারীদের নিয়ে হন্তদন্ত হয়ে থানায় আসেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হাসান মুরাদ বিপ্লব ও যুবলীগ নেতা আবদুল মান্নান ফেরদৌস। তাদের সঙ্গে আসা অনুসারী নেতাকর্মীরা মিলে পুলিশ সদস্যদের ধাক্কা দিয়ে হইচই করতে করতে থানা কম্পাউন্ডে ঢুকে পড়েন। থানায় ঢুকেই চিৎকার, চেঁচামেচি এবং পুলিশকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালাগাল শুরু করেন ছাত্রলীগের এসব নেতাকর্মী। বিপ্লব, হেলাল এবং আবদুল মান্নান ফেরদৌস শুরুতেই হাজতখানার সামনে উপ-পরিদর্শকদের রুমে গিয়ে ওসমান গণিকে ছিনিয়ে নেন। ডিউটি অফিসারের কক্ষ থেকে দিদারুল আলম পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে দ্রুত বের হয়ে চলে আসেন। এর মধ্যে থানার সামনে জড়ো হওয়া সবাইকে পুলিশ সদস্যরা সরিয়ে দেন। আর যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতাদের দাবিমত পুলিশ আওয়ামী লীগ নেতার ছেলেসহ কয়েকজনকে ছেড়ে দেয়। এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
প্রথম পাতা -এর আরো সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্ননারীরাই বাংলাদেশের সমাজকে বদলে দিয়েছে_ নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এই বক্তব্য আপনি
সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |