বৃহস্পতিবার, মে, ২৩, ২০১৩: জ্যৈষ্ঠ ৯, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ১২ রজব , ১৪৩৪ হিজরি, ০৭ বছর, সংখ্যা ৩৪০ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
|
চার সিটি নির্বাচনে
বিএনপির চ্যালেঞ্জআহসান হাবিব, এবায়দুল হক চাঁন, মনিরুজ্জামান, মোসাদ্দেক হোসেন ও আরিফুল হক চৌধুরীযাযাদি রিপোর্ট ![]() জাতীয় সংসদ নির্বাচনের খুব কাছাকাছি সময়ে চার সিটি করপোরেশন নির্বাচন একযোগে হওয়ায় একে চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিয়েছে প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। রাজপথে মোকাবেলার পাশাপাশি ভোটের রাজনীতিতেও সরব থাকতে চায় দলটি। দুঃশাসন, দুর্নীতি ও নানা অব্যবস্থাপনার কারণে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকারের জনসমর্থন যে অনেকখানি কমেছে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জয়লাভের মধ্যদিয়ে তারা তা প্রমাণ করতে চাইছে। বিএনপি নেতারা বলছেন, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেট এই চার সিটি করপোরেশনের মধ্যে অন্তত দুটিতে তারা বিজয় ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হলে জনগণের কাছে দলের গ্রহণযোগ্যতা অনেকটা বাড়বে। আর এ ফলাফলের প্রভাব আগামী সংসদ নির্বাচনে পড়বে। এতে ক্ষমতাসীন সরকারের ওপর 'তত্ত্বাবধায়ক' ইস্যুতে এক ধরনের চাপও সৃষ্টি হবে। অন্যদিকে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপি অংশ না নিলে আওয়ামী লীগ ফাঁকা মাঠে গোল দেয়ার সুযোগ পাবে। তাই প্রকাশ্যে নির্বাচনে অংশ না নেয়ার কথা বললেও ভেতরে ভেতরে জামায়াতসহ জোটের অন্য শরিকদের শক্তি কাজে লাগিয়ে মহাজোটকে কৌশলে কাবু করার ছক তৈরি করছে বিএনপি। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয়ভাবে প্রার্থী মনোয়নের সুযোগ না থাকলেও নিজেদের প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করার জন্য প্রচার-প্রচারণাসহ সার্বিক সহযোগিতা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ ব্যাপারে জোরদার মনিটরিংয়ের জন্য দলের হাইকমান্ড থেকে সিনিয়র নেতাদের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। বিশেষ করে মহানগর কমিটিগুলোকে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কেন্দ্র থেকেও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। বিএনপির দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, নির্বাচনী তৎপরতার দলগত প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে অভ্যন্তরীণ কোন্দল মেটাতে ইতোমধ্যেই দলের সিনিয়র নেতারা মাঠে নেমেছেন। ব্যক্তিগত স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে হলেও দলীয় প্রার্থীর বিজয় নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ তৎপরতা চালানোর জন্য স্থানীয় নেতাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে কারো বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে দলীয় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও হুশিয়ার করেছে হাইকমান্ড। এমনকি দল থেকে বহিষ্কারেরও হুমকি রয়েছে। জানা গেছে, চার সিটি করপোরেশনের সব কটিতেই বিএনপির একাধিক নেতা বিভিন্ন ব্যানারে প্রার্থী হলে দলীয় সিদ্ধান্ত অনুসারে শেষ পর্যন্ত একজন করেই দলীয় প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। স্থানীয় নেতাকর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে দলের হাইকমান্ড প্রার্থী নির্বাচন করবে। তবে ওই প্রার্থীর ওপর ১৮ দলীয় জোটের সবারই সমর্থন থাকতে হবে। এদিকে, দলীয় প্রার্থীর পক্ষে প্রচার-প্রচারণাসহ নির্বাচনী সার্বিক কাজে সহযোগিতার জন্য বিএনপির শীর্ষ নেতারা ১৮ দলীয় জোটের অন্য শরিকদের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক শুরু করেছেন। নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দল পেশিশক্তি ব্যবহারের চেষ্টা করলে তাদেরকে জোটগতভাবে মোকাবেলা করারও প্রস্তুতি রাখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে জামায়াত-শিবির অগ্রণী ভূমিকা পালনের আশ্বাস দিয়েছে বলে জানা গেছে। বিএনপির প্রথম সারির একাধিক নেতার ধারণা, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তাদের মেয়াদের শেষ সময়ে এসে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে জনসমর্থনের দিকে তাকিয়ে থাকবে না। তারা বৈধ পথে ভোটার টানতে না পারলে অবৈধভাবে বিজয় ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করবে। আর এজন্য তারা প্রশাসনের শেল্টারে সশস্ত্র ক্যাডারদের কাজে লাগাবে। এ অবস্থায় তাদের প্রতিহত করা ১৮ দলীয় জোটের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই তারা নিজেদের প্রস্তুত রাখার ব্যাপারে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে। বিএনপি মনে করছে, এ নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর পদের অনেকটিতেই তাদের নেতারা নির্বাচিত হবেন তা বুঝতে পেরে হঠাৎ করে চার সিটি করপোরেশন নির্বাচন দিয়েছে। আর এর আগে দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে শত শত মামলা দেয়া হয়েছে। যাতে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে তারা প্রচার-প্রচারণায় অংশ নিতে না পারে। নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসতেই তাদের অনেককেই গ্রেপ্তার করা হতে পারে বলেও আশঙ্কা করছে বিএনপি। তবে কেউ কেউ বলছেন, তত্ত্বাবধায়ক ইস্যুতে সোচ্চার হয়ে ওঠা ১৮ দলীয় জোটকে কিছুটা অন্যদিকে ব্যস্ত রাখতেই আকস্মিক সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। যাতে আগামী ১৫ জুন পর্যন্ত আন্দোলনের আগুন আর ছড়াতে না পারে। এরপর রমজান মাস আসায় স্বাভাবিকভাবেই আন্দোলনে ভাটা পড়বে। তাতে সংসদ নির্বাচনের জন্য নিজেদের গুছিয়ে নিতে আওয়ামী লীগ যথেষ্ট সময় পাবে। বিএনপির একজন শীর্ষ স্থানীয় নেতা জানান, সরকারের এসব কৌশলী চাল তাদের কাছে ফাঁস হয়ে গেছে। তাই তারা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণের পাশাপাশি আন্দোলন কর্মসূচি কিভাবে জোরদার করা যায় তা খতিয়ে দেখছে। তবে তাদের কোনো কর্মসূচিতে যেন সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর ওপর প্রভাব না পড়ে সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখছে। বিএনপির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, আনুষ্ঠানিকভাবে কেন্দ্র থেকে প্রার্থীদের কাউকে সমর্থনের কথা জানানো হবে না। তবে যারা নির্বাচনের জন্য দল থেকে পদত্যাগ করেছেন বা করবেন বা বহিষ্কার হবেন, বিজয়ী হলে তাদের আবার ফিরিয়ে নেয়া হবে। এর আগে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের নজির প্রার্থীদের স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে দলের কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে তিনি সে সুযোগ পাবেন না বলে হুশিয়ার করা হয়েছে। দলের নেতাদের আশা, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটার কোনো সম্ভাবনা নেই। দলীয় স্বার্থে সবারই ছাড় দেয়ার মানসিকতা রয়েছে। সিটি করপোরেশন নির্বাচন মনিটরিংয়ের দায়িত্বে থাকা বিএনপির সিনিয়র নেতারা জানান, স্থানীয় প্রার্থীরা তাদের প্রচারে নির্বাচনী অঙ্গীকারের পাশাপাশি সরকার-সমর্থকদের নানা দুর্নীতি ও অনিয়মের কথা তুলে ধরবেন। স্থানীয় নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের সমর্থন দেয়ার কোনো সুযোগ না থাকলেও ভোটাররা রাজনীতির বাইরে নন। তাই তারা সত্য জানার পর অনিয়ম-দুর্নীতির পক্ষেই ভোট দেবেন। রাজশাহী : ১৮ দলীয় জোটের দু'প্রার্থীর মধ্যে কে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেবেন, তা নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা-পর্যালোচনা। তবে গত সিটি নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুলের পক্ষেই বেশি সমর্থন রয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর মহানগর কমিটির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের যথেষ্ট জনপ্রিয়তা থাকলেও যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে সারাদেশে তোলপাড় চলাকালীন তাকে সুযোগ দিতে গিয়ে ১৮ দলীয় জোটের ঝুঁকি নেয়ার সম্ভাবনা কিছু কম। তবে এ ব্যাপারে জোটের নেতারা এখন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পেঁৗছাতে পারেনি। বিএনপির একজন কেন্দ্রীয় নেতা জানান, খুব বেশি সময় নষ্ট না করে আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই বিষয়টি আপোষ-রফা করা হবে। কেননা দু'জন প্রার্থীকে মাঠে রেখে ১৮ দলীয় জোটের ভোটাদের বিভ্রান্ত করার সুযোগ দিতে চাইছে না তারা। রাজশাহীর ভোটের রাজনীতির প্রেক্ষাপটে বিএনপি মনে করে জামায়াতের ভোট পেলে সহজেই হারানো যাবে সদ্য বিদায়ী মেয়র ও মহাজোট সমর্থিত প্রার্থী খায়রুজ্জামান লিটনকে। এ অবস্থায় জামায়াতকে রাজশাহীর তিনটি সংসদীয় আসন (রাজশাহী-১,২,৩) ছাড় দিয়েই মেয়র পদ থেকে তাদের প্রার্থীকে সরিয়ে নেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে। তাই জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতার ব্যাপারে ?আশাবাদী বিএনপি। দুই একদিনের মধ্যেই মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর তার মনোনয়ন পত্র তুলে নেবেন এটাই প্রত্যাশা করছেন দলের নেতারা। সাধারণ ভোটাররা বলছেন, জামায়াতের ভোট বিএনপির পক্ষে গেলে তাদের জয় সুনিশ্চিত। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হবে কিনা এনিয়ে সংশয়ে রয়েছেন অনেকেই। তারা বলেন, রাজশাহীর উন্নয়ন কিছুটা এগিয়ে রাখবে সদ্য বিদায়ী মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে। দৃশ্যমান উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিএনপি থেকে এগিয়ে আছে আওয়ামী লীগ। কিন্তু জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষিতে জামায়াত রাজশাহীর মেয়র পদ ছেড়ে দিলে জয় কঠিন হয়ে যাবে লিটনের জন্য। অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থী অটুট থাকলে বুলবুলের জন্য এবারো অধরা থাকবে রাসিকের মেয়র পদ। এ প্রসঙ্গে বুধবার বুলবুল বলেন, 'আমরা সমঝোতার বিষয়ে আশাবাদী। আশা করছি দু'একদিনের মধ্যেই জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নেবেন।' খুলনা : জাতীয়তাবাদী নাগরিক সমাজের ব্যানারে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মনিরুজ্জামানকে সমর্থন দিয়েছে ১৮ দলীয় জোট। দলীয় কৌশলের কারণে নির্বাচনে অংশ নিতে এরই মধ্যে তিনি দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। এখানে তার জয়ের যথেষ্ট সম্ভাবনা থাকলেও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এমএম শফিকুল আলম ও সেকান্দার জাফর উল্লাহ খান বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকেই। তাই তাদের কিভাবে নির্বাচন থেকে সরিয়ে নেয়া যায় তার সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে। জানা গেছে, মনিরুজ্জামানের দলীয় মনোনয়ন চূড়ান্ত করতে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অধ্যাপক মাজিদুল ইসলামকে। তিনি দু'একদিনের মধ্যে দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্ত নিয়ে খুলনায় যাবেন। সূত্র জানিয়েছে, অধ্যাপক মাজিদুল ইসলাম খুলনায় গিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাশী বিএনপির তিনজন প্রার্থীর সঙ্গে বসবেন। তিনি দলের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বৈঠক করে মনিরুজ্জামান বাদে অন্যদের প্রার্থিতা প্রত্যহারের অনুরোধ করবেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম মনা বলেন,'আমি বিএনপির রাজনীতি করি। দল থেকে যাকে মনোনয়ন দেয়া হবে, তাকেই আমি মেনে নেব।' বিএনপির একটি সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান সরকারবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে এই নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছে ১৮ দলীয় জোট। এ জন্য বিজয় নিশ্চিত করতে জোট চাইছে তাদের পক্ষ থেকে কোনো একজন একক প্রার্থী হোন। মনিরুজ্জামানকে একক প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে তাকে বিজয়ী করতে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনী লড়াইয়ে জিততে চায় বিএনপি। এর মাধ্যমে হারানো খুলনাকে আবার দখলে নিতে চায় দলটি। এদিকে, দুই নেতা নিজেদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিলে মেয়র পদে লড়াই হবে মূলত আওয়ামী লীগের বিদায়ী মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক ও বিএনপির মো. মনিরুজ্জামানের মধ্যে। তবে বিএনপির দুই প্রার্থী দলীয় সিদ্ধান্তে সরে দাঁড়ালেও নির্বাচনের মাঠে মনির জন্য কতটুকু কাজ করবেন তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। মাঠ পর্যায়ের অনেকেই রয়েছেন শফিকুল ইসলাম মনার পক্ষে। সিলেট : ১৮ দলীয় জোটের পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মীদের নিয়ে গঠিত সম্মিলিত নাগরিক ফোরাম সমর্থন দিয়েছে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আরিফুল হককে। তার পক্ষে প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি অপর চারপ্রার্থী মহানগরের সহ-সভাপতি নাছিম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম জালালী, স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শামসুজ্জামান ও জামায়াতের মহানগর আমির কারাবন্দি এহসানুল মাহবুব জুবায়েরকে সরিয়ে দিতে জোটের নেতারা দফায় দফায় বৈঠক করছেন। তারা তাদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, মেয়র নির্বাচনে জয়লাভ এখন দলের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ- যা আগামী সংসদ নির্বাচনে তাদের বৈতরণী হিসেবে ধরা দেবে। বরিশাল : বিএনপির তিনজন নেতা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন বিএনপি জেলা সভাপতি আহসান হাবিব কামাল, জেলা কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবায়দুল হক চাঁন ও কমিটির নগর সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান। তাদের মধ্যে কাকে ১৮ দলের প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত করা হবে, সে জন্য ইতোমধ্যে একটি কমিটি করা হয়েছে। বুধবারও এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে না পারলেও আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই তা ফয়সালা করা হবে বলে কমিটি সূত্রে জানা গেছে। এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
প্রথম পাতা -এর আরো সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নবিএনপি সংসদে গিয়ে নির্বাচনকালীন সরকারের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাব দেবে বলে কি মনে করেন?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |