রোববার, মে, ১৯, ২০১৩: জ্যৈষ্ঠ ৫, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ৮ রজব , ১৪৩৪ হিজরি, ০৭ বছর, সংখ্যা ৩৩৬ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
আ'লীগের অন্তর্বর্তী
সরকারের রূপরেখাশেখ হাসিনাকে প্রধান করে ১১ সদস্যের সরকারে আওয়ামী লীগের ৫, বিএনপির ৩, জাতীয় পার্টির ১ ও বামদের ১ জন নির্বাচিত প্রতিনিধি রাখার প্রস্তাবশফিকুল ইসলাম জুয়েল ![]() ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ আগামী দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য ১১ সদস্যের একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রূপরেখা চূড়ান্ত করছে। তাদের ধারণা, এ ধরনের সরকারের অধীনে একটি অবাধ গ্রহণযোগ্য এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব হবে। এই সরকারে সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সব দলের অংশগ্রহণ থাকবে।সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা অনুযায়ী- বিএনপির তিনজন, এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির একজন, বাম দলগুলোসহ মহাজোটের অন্তর্গত অন্য দলগুলো থেকে একজন এবং আওয়ামী লীগের ৫ জন নির্বাচিত এমপি নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি উপদেষ্টাম-লি গঠিত হবে। আর এই সরকারকে নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ক্ষমতাসীন মহাজোট সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার কিছু আগে এমপিরা পদত্যাগ করবেন এবং তারা রাষ্ট্রপতিকে জামায়াত ছাড়া অন্য দলগুলোর প্রতিনিধি নিয়ে একটি উপদেষ্টা ম-লি গঠনের জন্য অনুরোধ জানাবেন। সূত্র জানায়, রূপরেখার খসড়ায় বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের জন্য সব দলের নির্বাচিত এমপিদের একটি তালিকা দেয়া হবে। এ তালিকা পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে একটি নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করবেন এবং এর সদস্যদের শপথ পাঠ করাবেন। নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সদস্যরা সরকারের দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজও পরিচালনা করবেন। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সদস্যরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন কি-না, তা সব দলের মতৈক্যের ভিত্তিতে চূড়ান্ত হবে। তবে তারা যদি নির্বাচনে অংশ নেন, তাহলে তারা রাষ্ট্রের পতাকাবাহী গাড়িসহ কোনো ধরনের রাষ্ট্রীয় সুবিধা নির্বাচনী প্রচারণার কাজে ব্যবহার করতে পারবেন না। আর এ ধরনের একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন করতে সংবিধানে কোনো রকমের সংশোধনী আনারও দরকার হবে না। আওয়ামী লীগ সূত্রের দাবি, মহাজোটের বেশিরভাগ সদস্যই চাইছেন বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনার সময় ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত জামায়াতে ইসলামীকে দূরে রাখতে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বন ও পরিবেশমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক হাছান মাহমুদ যায়যায়দিনকে বলেন, বিরোধী দলের সঙ্গে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রূপরেখা নিয়ে আওয়ামী লীগ কথা বলতে চায়। কিন্তু অতীতের মতো তত্ত্বাবধায়ক সরকারে ফিরে যাওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই। এক্ষেত্রে সংবিধান মেনে আলাপ আলোচনা করে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন সম্ভব হতে পারে। সংলাপে প্রস্তাবিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাজ, ক্ষমতার বণ্টন এবং কীভাবে এই সরকার নির্বাচন কমিশনকে সাহায্য করবে তা নিয়ে আলাপ হতে পারে। বিরোধী দল যদি প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তে রাষ্ট্রপতিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান বানাতে চায়, সেক্ষেত্রে সরকারের অবস্থান কী হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে হাসান মাহমুদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে নেতৃত্ব দেবেন। তারপরও বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনার সব দরজা খোলা রেখেছে আওয়ামী লীগ। উল্লেখ্য, ২০১১ সালে সংসদ অধিবেশনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করার পর থেকে রাজপথে আছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিরোধী দল। তারা মনে করে, ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
প্রথম পাতা -এর আরো সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নবিএনপি সংসদ অধিবেশনে যোগ দিলে দেশের চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট কাটবে বলে কি
মনে করেন?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |