সোমবার, মে, ২০, ২০১৩: জ্যৈষ্ঠ ৬, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ৯ রজব , ১৪৩৪ হিজরি, ০৭ বছর, সংখ্যা ৩৩৭ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
পুঁজিবাজার উন্নয়নে কর অবকাশসহ
১১ সুবিধা চেয়েছে ডিএসইযাযাদি রিপোর্ট স্টক এক্সচেঞ্জের ডিমিউচুয়ালাইজেশনে (ব্যবস্থাপনা থেকে মালিকানা পৃথককরণ) পর পাঁচ বছর পর পর্যন্ত কর অবকাশ সুবিধা দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশের ওপর উৎসে কর প্রত্যাহারসহ বেশ কয়েকটি প্রস্তাবনা তুলে ধরেছে স্টকটি। রোববার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সঙ্গে আলোচনায় প্রতিষ্ঠানটি আসছে বাজেটে বাস্তবায়নের জন্য এসব প্রস্তাবনা ও দাবি তুলে ধরে। বৈঠকে এনবিআর চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন এনবিআর সদস্য আমিনুল করিম, ডিএসইর সভাপতি রকিবুর রহমান, সহ-সভাপতি মো. শাহজাহান, সিনিয়র সহ-সভাপতি আহমেদ রশিদ লালী, পরিচালক আবদুল হক, হানিফ ভূঁইয়া, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শপন কুমার বালা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় এনবিআরের কাছে লিখিতভাবে প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন ডিএসইর সিনিয়র সহ-সভাপতি আহমেদ রশিদ লালী। প্রস্তাবনায় বলা হয়, এরই মধ্যে ডিএসইর ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইন পাস হয়েছে। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে ডিএসই লোকসানি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ডিমিউচুয়ালাইজড হচ্ছে। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটি যাতে লাভজনক হয় এবং নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে সে লক্ষ্যে পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য কর অবকাশ সুবিধা দেয়া আবশ্যক। কেননা, ডিমিউচুয়ালাইজেশনের সময় কোনো ব্রোকারেজ হাউজের কোনো আয় হবে না। তারা তাদের মালিকানা হস্তান্তর করে শেয়ার পাবে। এই মুহূর্তে কিছু সুবিধা না দেয়া হলে আগামীতে ব্যবস্থাপনা কমিটির স্টক এক্সচেঞ্জ পরিচালনা করা কঠিন হয়ে যাবে। বৈঠকে এক আয়ের ওপর তিনবার কর দেয়ার বিষয়টি সমাধান চেয়েছে (ডিএসই)। ডিএসইর সভাপতি রকিবুর রহমান বলেন, কোম্পানির আয়ের ওপর একবার ৪২ দশমিক ৫০ শতাংশ কর দিতে হয়। এর এই আয় মুনাফা হিসেবে বণ্টন করা হলে ১০ শতাংশ কর কেটে রাখা হয়। সর্বশেষ এই লভ্যাংশ ব্যক্তি আয় হিসেবে আবার কর দিতে হয় বিনিয়োগকারীকে। ফলে একই আয়ের ওপর তিনবার কর দিতে হচ্ছে শেয়ারবাজার বিনিয়োগকারীকে। একই সঙ্গে ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর প্রতিষ্ঠানিক কর কমানের দাবিও জানায় ডিএসই। বর্তমানে তালিকাভুক্ত ও তালিকা বহির্ভূত কোম্পানির কর হারের ব্যবধান ১০ শতাংশ। তালিকা বহির্ভূত কোম্পানিকে সাড়ে ৩৭ শতাংশ হারে কর দিতে হয়। তালিকাভুক্ত কোম্পানি কর দেয় সাড়ে ২৭ শতাংশ হারে। কিন্তু ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম। তালিকা বহির্ভূত বা তালিকাভুক্ত দুই অবস্থায় তিন ধরনের কোম্পানিকে সাড়ে ৪২ শতাংশ হারে কর দিতে হয়। ডিএসই এই করের হার ৫ শতাংশ কমিয়ে সাড়ে ৩৭ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করেছে। ডিএসই বলেছে, কর কমানো হলে এসব কোম্পানির লভ্যাংশ দেয়ার সক্ষমতা বাড়বে। এতে বিনিয়োগকারীরা লাভবান হবে। সভায় ডিএসইর প্রস্তাবনার সঙ্গে একমত প্রকাশ করেছেন এনবিআর চেয়ারম্যান গোলাম হোসেন। তিনি বিষয়টি নীতিগতভাবেই ঠিন নয় বলেও মন্তব্য করেন। চেয়ারম্যান বলেন, বিষয়টি নিয়ে অর্থমন্ত্রীসহ সবার সঙ্গেই আলোচনা করা হবে। এনবিআরকে জানানো উল্লেখযোগ্য দাবি হলো : ব্যবস্থাপনা থেকে মালিকানা পৃথক হওয়ার পর স্টক এক্সচেঞ্জের সদস্যরা কেবল প্রতিষ্ঠানের শেয়ার পাবে। এখানো কোনো আর্থিক আয় হবে না। কেবল কাগজ পাওয়া যাবে। তাই এক্ষেত্রে ক্যাপিটাল গেইন ট্যাক্স ওয়েভার সুবিধা প্রদান; ১৫ লাখ টাকার কম বার্ষিক আয় এমন নতুন ক্ষুুদ্র বিনিয়োগকারী এক লাখ টাকা পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করলে সেক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ আয়কর মওকুফ করা; সদস্যদের কাছ থেকে লেনদেনের ওপর আরোপিত কর ০.০৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ০.০১৫ শতাংশ করা ইত্যাদি।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নবিরোধী দলের সঙ্গে বসতে চান স্পিকার ড. শিরিন শারমীন চৌধুরী। তার এই উদ্যোগ সফল হবে বলে কি মনে করেন?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |