রোববার, মে, ১৯, ২০১৩: জ্যৈষ্ঠ ৫, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ৮ রজব , ১৪৩৪ হিজরি, ০৭ বছর, সংখ্যা ৩৩৬ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
কোরীয় উপদ্বীপে আবার উত্তেজনাস্বল্পপাল্লার মিসাইল ছুড়েছে পিয়ংইয়ং : টোকিওর সমালোচনায় সিউলযাযাদি ডেস্ক ![]() সাময়িক বিরতির পর আবার অস্থির হয়ে উঠেছে কোরীয় উপদ্বীপের পরিস্থিতি। শনিবার উত্তর কোরিয়া দেশটির পূর্ব-উপকূলে তিনটি স্বল্পপাল্লার মিসাইল ছুড়েছে বলে জানিয়েছে পার্শ্ববর্তী দেশ দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। আকস্মিক এই মিসাইল উৎক্ষেপণের কারণ জানা না গেলেও ধারণা করা হচ্ছে, দক্ষিণ কোরিয়া এবং তার মিত্র দেশ আমেরিকাকে ভয় দেখাতেই এই মিসাইল ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া। এছাড়া এই বিস্ফোরণ কি পরীক্ষামূলক নাকি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির অংশ, তাও নিশ্চিত করে জানাতে পারেনি দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। অন্যদিকে সম্প্রতি জাপানের এক উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তার পিয়ংইয়ং সফরের জের ধরে টোকিওর কড়া সমালোচনা করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। তথ্যসূত্র : সিএনএন, বিবিসি, আল-জাজিরাদক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বিবৃতিতে জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়া শনিবার সকালে দুটি এবং বিকালে একটি মিসাইল উৎক্ষেপণ করেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার জলসীমা থেকে দূরে উত্তর-পূর্বদিকে তাক করে এই উৎক্ষেপণ চালানো হয়। বিবৃতিতে আরো বলা হয়, উত্তর কোরিয়া কার্যকলাপের ওপর নজরদারিতে দক্ষিণ কোরিয়া আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তি নিয়োগ করেছে এবং যে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতি ক্ষিপ্রতার সঙ্গে মোকাবেলা জন্য উচ্চমাত্রার প্রস্তুতিও নেয়া হয়েছে। মিসাইল উৎক্ষেপণের একদিন আগে শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়া দাবি করেছিল, উত্তর কোরিয়ার কাছে বর্তমানে প্রায় ২০০ মিসাইল লঞ্চার বা উৎক্ষেপক আছে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে উত্তর কোরিয়া তৃতীয়বারের মতো পরীক্ষামূলক পারমাণবিক বিস্ফোরণ চালালে দেশটির ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করে জাতিসংঘ। অবরোধ এবং পরবর্তী সময়ে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আমেরিকার যৌথ সামরিক মহড়াকে কেন্দ্র যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় ওই অঞ্চলে। তবে গত মাস থেকেই এই উত্তেজনায় ভাটা পড়তে থাকে। মঙ্গলবার আমেরিকা এবং দক্ষিণ কোরিয়ার দুই দিনব্যাপী সামরিক মহড়ার শেষ হয়, যাকে 'উস্কানিমূলক' হিসেবে উল্লেখ করেছে উত্তর কোরিয়া। শনিবারের এই মিসাইল উৎক্ষেপণের ঘটনাকে আমেরিকা-দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক মহড়ার পাল্টা জবাব হিসেবে দেখছেন অনেক বিশ্লেষক। এদিকে ইসাও ইলিজিমা নামে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর এক উপদেষ্টা চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ং সফরে যান। যেহেতু জাপান এবং উত্তর কোরিয়ার মধ্য কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই, তাই জাপানের এই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার আকস্মিক উত্তর কোরিয়া সফর নিয়ে সন্দিহান হয়ে পড়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। জাপান সরকারের পক্ষ থেকেও এই সফরের উদ্দেশ্য সম্পর্কে পরিষ্কার করে কিছু বলা হয়নি। ইসাও এর এই সফরকে 'বিপজ্জনক' বলে উল্লেখ করেছে দক্ষিণ কোরিয়া। ইসাও ইলিজিমার ভ্রমণ নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে দেয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'বর্তমান পরিস্থিতিতে আমরা ইসাও এর উত্তর কোরিয়া সফরের ঘটনাটিকে জাপানের অসহযোগিতামূলক পদক্ষেপ হিসেবেই দেখব।' এছাড়া এই মুহূর্তে উত্তর কোরিয়াকে মোকাবেলায় আমেরিকা, দক্ষিণ কোরিয়া এবং অন্য মিত্রদের সম্মিলিত একটি জোট দরকার বলেও বিবৃতিতে দাবি করা হয়। জাপানের এই পদক্ষেপ বিস্মিত করেছে আমেরিকাকেও। উত্তর কোরিয়া সংক্রান্ত আমেরিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা গ্লেইন ডেভিস বলেন, 'আমরা কেউই এ ধরনের কোনো সফরের কথা জানতাম না। আমি এ ব্যাপারে অবশ্যই জাপানের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করব।'
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
বিদেশ -এর আরো সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নবিএনপি সংসদ অধিবেশনে যোগ দিলে দেশের চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট কাটবে বলে কি
মনে করেন?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |