বুধবার, মে, ২২, ২০১৩: জ্যৈষ্ঠ ৮, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ১১ রজব , ১৪৩৪ হিজরি, ০৭ বছর, সংখ্যা ৩৩৯ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
|
আলীমের নির্দেশে খুনের পর
লাশ পোঁতা হয় পুকুরপাড়েযাযাদি রিপোর্ট মুক্তিযুদ্ধের সময় আব্দুল আলীমের সহযোগিতায় পাকিস্তানি বাহিনী ও রাজাকার সদস্যরা জয়পুরহাটে ১১ জনকে হত্যা করে লাশ পুঁতে রাখে বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালকে জানিয়েছেন এ মামলার ২১তম সাক্ষী।প্রসিকিউশনের পক্ষে সাক্ষী আব্দুল হামিদ সাকিদার মঙ্গলবার বিচারপতি ওবায়দুল হাসান নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-২ এ হাজির হয়ে নিজের জবানবন্দি উপস্থাপন করেন। জয়পুরহাটের আবুল হোসেন সাকিদারের ছেলে মুদি দোকানি হামিদ (৫৭) বলেন, একাত্তরে মুসলিম লীগ নেতা আব্দুল আলীম ছিলেন স্থানীয় শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান। পরে জিয়াউর রহমানের আমলে তিনি বিএনপির মন্ত্রী হন। তার প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মুক্তিযুদ্ধের সময় ব্যাপক হত্যা, লুটপাট চালায় বলে সাক্ষ্যে জানান তিনি। 'একদিন তারা জয়পুরহাটের বারোঘটি পুকুর পাড়ে উত্তর পাশে ১১ জনকে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করে। তাদের ১১ জনের মুখেই কালি মাখানো ছিল। এরপর ৬ জনের লাশ পুকুরের দক্ষিণ পাশে আমগাছ তলায় এবং ৫ জনের লাশ উত্তর দিকের লিচুগাছ তলায় পুঁতে ফেলা হয়।' সাক্ষী জানান, দেশ স্বাধীন হওয়ার ৫-৬ মাস পর ওই পুকুরে জাল ফেলা হলে প্রায় দেড়শ কঙ্কাল উঠে আসে। স্থানীয়রা পুকুরের দক্ষিণ পাড়ে কঙ্কালগুলো মাটিচাপা দিয়ে রাখে। তিনি বলেন, মুসলিম লীগ ও জামায়াতের কর্মীদের নিয়ে আব্দুল আলীম শাওনলাল বাজলার গদিঘর দখল করেন। সেখানে সেনা ক্যাম্প বসানোর পাশাপাশি রাজাকার সদস্যদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা হয়। এ সময় আদালতে উপস্থিত আসামি আলীমকে শনাক্তও করেন সাক্ষী। সাক্ষ্য শেষে আসামিপক্ষের আইনজীবী আহসানুল হক হেনা তাকে জেরা করেন। তিনি জানতে চান, পুকুরের মৌজাটি কার নামে? এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
মহানগর -এর আরো সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নবিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুম নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য_ মানবাধিকার নেত্রী সুলতানা কামালের এই বক্তব্যের সঙ্গে
আপনি কি একমত?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |