বৃহস্পতিবার, মে, ২৩, ২০১৩: জ্যৈষ্ঠ ৯, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ১২ রজব , ১৪৩৪ হিজরি, ০৭ বছর, সংখ্যা ৩৪০ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
|
উত্তরায় র্যাবের সঙ্গে
বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২যাযাদি রিপোর্ট ![]() রাজধানীর উত্তরায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) সঙ্গে কথিত 'বন্দুকযুদ্ধে' দুই ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। র্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার হাবিবুর রহমান এ দাবি করেন।র্যাবের গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক ক্যাপ্টেন অভিষেক আহমেদের ভাষ্য, নিহত দুজন হলেন_ জহিরুল ইসলাম ও সাজু আকন্দ। নাম প্রকাশ না করার শর্তে র্যাবের একজন কর্মকর্তা দাবি করেন, কয়েক দিন ধরে উত্তরায় ক্রেডিট কার্ড ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। বুধবার ভোর ৪টার দিকে উত্তরা ১১ নাম্বার সেক্টরের জনপথ মোড়ে র্যাব-১-এর সদস্যদের সঙ্গে ক্রেডিট কার্ড ছিনতাই দলের সদস্যদের 'বন্দুকযুদ্ধের' ঘটনা ঘটে। এতে ওই দুজন নিহত হন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ সূত্র জানায়, গতকাল সকাল সাড়ে ৭টার দিকে র্যাব-১-এর ডিএডি আলিমুজ্জামান দুই ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। র্যাবের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র দাবি করেছে, এ চক্রটি হত্যা, ছিনতাইসহ নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত। সমপ্রতি র্যাডিসন হোটেলের এক নারীকর্মীকে হত্যা ও তার ক্রেডিট কার্ড ছিনতাই করে বুথ থেকে টাকা তোলার প্রমাণ পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আলেয়া ফেরদৌসি নামের ওই নারীকর্মী গত ১৩ এপ্রিল কাওলা থেকে র্যাডিসন হোটেলে যাওয়ার জন্য গাড়ির অপেক্ষায় ছিলেন। এ সময় কালো কাচে ঢাকা একটি গাড়ি তাকে গন্তব্যে পেঁৗছে দেয়ার কথা বলে। এতে রাজি হন আলেয়া। ওইদিন থেকে আলেয়া নিখোঁজ ছিলেন। পরে গাজীপুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই নারীর মৃত্যুর পর তার ট্রাস্ট ব্যাংকের কেডিট কার্ড দিয়ে ছিনতাইকারীরা টাকা তুলে নেয়। সিসি টিভিতে বিষয়টি ধরা পড়ে। বন্দুকযুদ্ধে যারা নিহত হয়েছেন, তারা ওই হত্যাকা-ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে সন্দেহ করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর সদর উপজেলার কাউলা মধ্যপাড়া এলাকার জমিদার বাড়িতে আলেয়া সপরিবারে ভাড়া থাকতেন। গত সোমবার দুপুর ২টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত হোটেলে তার দায়িত্ব ছিল। দুপুর ১২টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে যান তিনি। সময়মতো কাজে যোগ না দেয়ায় র্যাডিসন হোটেল থেকে আলেয়ার বড় ভাই মজিবর রহমানকে ফোন করে আলেয়ার কাজে না আসার কারণ জানতে চাওয়া হয়। আলেয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে তার মুঠোফোন বন্ধ পান বড় ভাই। এতে তার সন্দেহ হয়। পরে তিনি ঢাকার খিলক্ষেত ও দক্ষিণখান থানা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেখানে সহায়তা না পেয়ে র্যাব-১-এর কার্যালয়ে বিষয়টি জানান। এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
প্রথম পাতা -এর আরো সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নবিএনপি সংসদে গিয়ে নির্বাচনকালীন সরকারের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাব দেবে বলে কি মনে করেন?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |