রোববার, মে, ২৬, ২০১৩: জ্যৈষ্ঠ ১২, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ১৫ রজব , ১৪৩৪ হিজরি, ০৭ বছর, সংখ্যা ৩৪৩ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
ইরানকে
কাঁদিয়ে চূড়ান্ত পর্বে থাইল্যান্ডক্রীড়া প্রতিবেদক ![]() নিসার হ্যাটট্রিক এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বের টিকিট এনে দিয়েছে থাইল্যান্ডকে। এই টুর্নামেন্টে ৮ গোল করে সবর্োচ্চ গোলদাতার স্থানটি দখল করার পর উচ্ছ্বসিত নিসা -যাযাদিইরানকে কাঁদিয়ে এএফসি এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বটা নিশ্চিত করেছে থাই মেয়েরা। এই ম্যাচে বড় ব্যবধানে জয় পেলে ফাইনালে যেতে পারত ইরান। তাই থাইল্যান্ডের কাছে ৫-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায়ের মুহূর্তে চোখের জল আর ধরে রাখতে পারেনি ইরানের মেয়েরা। আগের দুই ম্যাচে বিশাল গোলের ব্যবধানে জিতে ৬ পয়েন্ট ছিল থাইল্যান্ডের ঝুলিতে। তাই এক ম্যাচ হাতে রেখেই চূড়ান্ত পর্বটা একরকম নিশ্চিতই ছিল তাদের। তবে এই ম্যাচে ১০ গোলের ব্যবধানে জয় পেলে চ্যাম্পিয়নের মুকুটটা পরতে পারত ইরানই। কিন্তু নিজেদের থেকে ২৩ ধাপ এগিয়ে থাকা থাইল্যান্ডকে (র্যাংকিং ২৯) এত বিশাল ব্যবধানে হারানোটা ইরানের (র্যাংকিং ৫২) জন্য শুধু কষ্টকরই না, এক কথায় অসম্ভবই ছিল। তাই বলে হাল ছেড়ে দেয়নি ইরানের মেয়েরা। ফিলিপাইনের কাছে ৬-০ গোলের হার দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করলেও পরের ম্যাচে বাংলাদেশকে ২-০ গোলে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস বহুগুণে বেড়ে গিয়েছিল তাদের। এছাড়াও থাইল্যান্ডকে বড় ব্যবধানে হারাতে পারলে চূড়ান্ত পর্বে খেলারও সম্ভাবনা ছিল ইরানের। যে কারণে খেলার শুরু থেকেই প্রতিপক্ষকে কোনো রকম ছাড় দিয়ে খেলেনি সাদা জার্সিধারীরা। র্যাংকিং বিবেচনায় এশিয়া কাপের 'বি' গ্রুপের ফেবারিট দল থাইল্যান্ডই। এছাড়াও গড় উচ্চতা, স্ট্যামিনা, শারীরিক ফিটনেস, ট্যাকটিকস সব দিক থেকেই গ্রুপের চার দলের মধ্যে সবার উপরে দলটি। তাই বলে ছেড়ে কথা বলেনি ইরানও, প্রথম থেকেই চেপে ধরেছে থাইদের। প্রথমার্ধ তাই গোল শূন্য থেকেই শেষ হয়েছে। থাইল্যান্ড মহিলা এশিয়ান কাপের চ্যাম্পিয়ন হয় ১৯৮৩ সালে। এরপর আরো তিনবার ফাইনালে খেলেছে তারা। আর এই টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো অংশ নেয় ইরান। উচ্চতা, গতি, আর অভিজ্ঞতার ছাপ স্পট থাই কন্যাদের খেলাতে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ১-০ তে এগিয়ে যায় থাইল্যান্ড। ৪৬ মিনিটে ডিফেন্ডার উইলিয়াইপোর্ন বোথডুয়াংয়ের কর্নার থেকে বল পেয়ে ফরোয়ার্ড নিসা রুমিয়েন সোজা ঢুকে পড়েন ইরানের বিপদসীমায়। তার পায়ের আলতো ছোঁয়ায় বল স্থান করে নেয় ইরানের জালে। এরপর ৬৫ ও ৮৬ মিনিটেও দুই গোল করেন তিনি। এই টুর্নামেন্টে প্রথম ম্যাচেই বাংলাদেশের জালে চারবার বল পাঠিয়েছিলেন এই ফরোয়ার্ড। টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোল দাতার স্থানটিও তার। তিন ম্যাচে মোট ৮ গোল করেছেন তিনি। ফিলিপাইনের বিপক্ষে ১-০ গোলের জয়টিও এসেছিল তার পা থেকেই। এই ম্যাচে ড্র করলেও চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত ছিল থাইল্যান্ডের। তাই সবদিক থেকেই এগিয়ে থেকে অনেকটা ফুরফুরে মেজাজেই খেলেছে থাই কন্যারা। ৭০ মিনিটে থাইল্যান্ডের আরো একটি গোল করেন এনোত সারা এবং ৭৪ মিনিটে নাফাত। সর্বমোট পাঁচ গোল করে থাই কন্যারা। আর ৭৯ মিনিটে ইরানের একমাত্র গোলটি করেন সারা ঘোমি। শেষ পর্যন্ত ৫-১ গোলের জয় দিয়েই চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত হয় থাইল্যান্ডের। মহিলা এশিয়া কাপের চূড়ান্ত পর্বে সরাসরি উঠে গেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া, জাপান চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া। আগামী বছর জাপানে অনুষ্ঠেয় চূড়ান্ত পর্বে এদের সঙ্গী হবে চার গ্রুপের চার চ্যাম্পিয়ন দল।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্ননারীরাই বাংলাদেশের সমাজকে বদলে দিয়েছে_ নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের এই বক্তব্য আপনি
সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |