পূর্ববর্তী সংবাদ
মতামত :
¦
¦
এ বছর ৬০০ কোটি টাকার কৃষিপণ্য কিনবে প্রাণযাযাদি রিপোর্ট প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য তৈরি করতে এ বছর (জুলাই-১৩ থেকে জুন-১৪) আম, চাল, ডাল, বাদাম, টমেটো, দুধ, সরিষা, মরিচ, হলুদসহ প্রায় ৬০০ কোটি টাকার বিভিন্ন কৃষিপণ্য কিনবে প্রাণ। প্রাণের বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
প্রাণ গ্রুপের পরিচালক ইলিয়াস মৃধা জানান, প্রাণের ফ্রুুট ড্রিংক, দুগ্ধজাত পণ্য, মসলা ও অন্যান্য পণ্য তৈরিতে উত্তরাঞ্চলের প্রাণের চুক্তিবদ্ধ কৃষক, খামারিসহ স্থানীয় কৃষকদের কাছে থেকে এসব পণ্য কেনা হবে। এতে কৃষকদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন হবে।
দেশ-বিদেশে প্রাণ পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় কর্তৃপক্ষ উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনা নিয়েছে। অতিরিক্ত পণ্য উৎপাদনে এ কাঁচামাল ক্রয় করা হচ্ছে।
লক্ষ্যমাত্রায় রয়েছে ফল ৭৫ হাজার মেট্রিক টন, সবজি ২ হাজার ১০০ মেট্রিক টন, চাল ১২ হাজার মেট্রিক টন, দুধ ৫ কোটি ৭৫ লাখ লিটার, মসলা ১০ হাজার মেট্রিক টন, শস্য ৫ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন, তেলবীজ ১ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন।
ফলের মধ্যে রয়েছে আম, আনারস, কলা, পেয়ারা, তেঁতুল, বড়ই, জলপাই ও অন্যান্য ফল। সবজির মধ্যে রয়েছে টমেটো, আলু, গাজর। মসলাজাতীয় কৃষিপণ্যের মধ্যে রয়েছে সরিষা, মরিচ, হলুদ, রসুন, ধনিয়া। শস্যজাতীয় পণ্যের মধ্যে রয়েছে ডাল, বাদাম প্রভৃতি।
রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, দিনাজপুর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রায় ১৩ হাজার আম চাষি, ১৯ হাজার দুগ্ধখামারি, ৯ হাজার বাদাম চাষি, ১৫ হাজার ডালচাষি, ১০ হাজার ধান চাষি, ৮ হাজার টমেটো চাষি, ৭ হাজার সরিষা চাষি, ৫ হাজার মরিচ চাষি, ৪ হাজার ধনিয়া চাষি এবং ৫ হাজার হলুদ চাষিসহ প্রাণের চুক্তিবদ্ধ ৯৫ হাজারের বেশি কৃষক রয়েছে।
২০০১ সালে নাটোরে 'প্রাণ এগ্রো লিমিটেড' প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিবছরই সরাসরি কৃষকের কাছে থেকে আম কিনছে। এতে মাত্র ১০ বছরে এই এলাকায় আমের উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে।
দুগ্ধখামারিদের জন্য 'ডেইরি হাব' তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছে প্রাণ। বর্তমানে গুরুদাসপুর এবং চাটমোহর 'হাব'-এর আওতায় ১৯ হাজার দুগ্ধখামারিদের সেবা দেয়া হচ্ছে।
অপরদিকে প্রাণ উদ্ভাবিত নতুন জাতের উচ্চ ফলনশীল চিনাবাদাম 'প্রাণ চিনাবাদাম-১' আবাদ করে উত্তরাঞ্চলের বাদাম চাষিরা ক্রমেই বাদামচাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন।
প্রাণ এগ্রো বিজনেস লিমিটেডের চিফ অপারেটিং অফিসার মো. মাহাতাব উদ্দিন জানান, সিরাজগঞ্জ, অন্যান্য জাতের চিনাবাদাম চাষে করে বিঘাপ্রতি ফলন পাওয়া যায় ৬-৮ মণ আর প্রাণ চিনাবাদাম চাষ করে ফলন পাওয়া যায় ১২-১৪ মণ। দেশের ১০টি স্থানে ১৩টি কারখানায় প্রায় ৪০ হাজার নারী-পুরুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। গ্রুপের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত আছে আরো প্রায় ৭০ হাজার পরিবার। আর পরোক্ষভাবে উপকৃত হচ্ছে আরো প্রায় ৭ লাখ মানুষ।
আফ্রিকা মহাদেশ ছাড়াও এশিয়া, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যসহ ৯৩টিরও বেশি দেশে পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। রপ্তানির জন্য ১৯৯৯ থেকে পরপর ৯ বছর জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ রপ্তানিকারকের পুরস্কার পেয়েছে প্রাণ।
 
পূর্ববর্তী সংবাদ
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নগ্রামীণ ব্যাংক ভেঙে ১৯ টুকরা করার সরকারি সুপারিশ আদৌ গ্রহণযোগ্য ও বাস্তবসম্মত বলে মনে করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2010 The Jaijaidin