বৃহস্পতিবার, জুন, ২০, ২০১৩: আষাড় ০৬, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ১০ শাবান, ১৪৩৪ হিজরি, ০৮ বছর, সংখ্যা ১৫ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
|
কালুখালী-ভাটিয়াপাড়া রেললাইন
সংস্কার মুখ থুবড়ে পড়ার উপক্রমচুরি করে নিয়ে যাচ্ছে প্রকল্পের নির্মাণ সামগ্রীফরিদপুর প্রতিনিধি/মধুখালী সংবাদদাতা রাজবাড়ীর কালুখালী থেকে গোপালগঞ্জের ভাটিয়াপাড়া পর্যন্ত রেললাইন সংস্কার কাজ চোরের উপদ্রবে মুখ থুবড়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে। প্রায় প্রতি রাতেই কোথাও না কোথাও প্রকল্পের নির্মাণ সামগ্রী চুরি হচ্ছে। ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত রেললাইন ১৯৯৮ সালে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এরপর দীর্ঘ ১৫ বছর পর স্থানীয় লোকজনের দাবির প্রেক্ষিতে কালুখালী-ভাটিয়াপাড়া রেললাইন সংস্কার প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। রেলপথ বন্ধ হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন সময় রেল পাত, সস্নিপারসহ বিভিন্ন মালামাল চুরি হতে থাকে। কোটি কোটি টাকার মালামাল সংঘবদ্ধ চক্র রাতে চুরি করে নিয়ে যায়। ১৫ বছর পর বর্তমান সরকার রেললাইন পুনঃসংস্কারের কাজ শুরু করে। কিন্তু কাজ চলাকালে দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসীরা রেলওয়ের ভূমি দখল ও বিভিন্ন ফিটিংসের মালামাল রাতে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ এ ব্যাপারে মধুখালী, বোয়ালমারীসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক অভিযোগ করেছে। কালুখালী-ভাটিয়াপাড়া রেল সম্পদ/সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণ কমিটির সভাপতি সোবহান বিশ্বাস জানান, রেললাইন সংস্কারের কাজ পুরোদমে চলছে। তবে রেলের ভূমি দখল ও ফিটিংসের মালামাল চুরি বৃদ্ধি পেয়েছে। এ বিষয়ে রেল রক্ষা কমিটির পক্ষ থেকে মন্ত্রীসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। রেলওয়ে ভূমি দখলকারী ও মালামাল চোরদের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন থানায় মামলা করেছে। জরুরিভাবে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে প্রকল্পটি মুখ থুবড়ে পড়বে। পুনঃসংস্কার কাজের ভারতীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কল্পতরু কন্সট্রাকশনের প্রজেক্ট হেড রাজেশ নায়েক জানান, প্রকল্প এলাকা থেকে বিভিন্ন সময় রেল পাত, সস্নিপারসহ ফিটিংসের মালামাল চুরি হচ্ছে। সম্প্রতি চুরি বেড়ে গেছে। এভাবে মালামাল চুরি হলে প্রকল্পের কাজ শিডিউল অনুযায়ী সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না। এছাড়া ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্ননির্বাচন হবে না বলাটাই রাষ্ট্রদ্রোহিতা_ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কী একমত?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |