বৃহস্পতিবার, মে, ২৩, ২০১৩: জ্যৈষ্ঠ ৯, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ১২ রজব , ১৪৩৪ হিজরি, ০৭ বছর, সংখ্যা ৩৪০ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
হতাশা নিয়েই খেলবেন মুশফিকরাক্রীড়া প্রতিবেদক ![]() আগের দিন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ঘোষণা দিয়েছিলেন গ্রেডিং পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হবে এবারের প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগ। তাতে করে জাতীয় দলের কোনো কোনো খেলোয়াড় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন। তারপরও হতাশা থাকলেও প্রিমিয়ার ক্রিকেটে খেলতে চান তারা। যদিও দুই দিন আগে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের একটি বৈঠককে কেন্দ্র করে ক্রিকেটারদের স্পষ্টত দুটো ভাগে বিভক্ত হওয়ার খবর রটেছিল। পরে ওই বৈঠক শেষে জাতীয় দলের কোনো ক্রিকেটারই তাদের বক্তব্য পেশ করেননি। কেবল টাইগার দলপতি মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসানের সঙ্গে দেখা করে জানিয়েছিলেন, ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ক্রিকেটারদের গ্রেডিং পদ্ধতি তাদের অনেকের পছন্দ নয়। কিন্তু এটা চালু হলে যে তারা লিগে খেলবেন না, এমন সিদ্ধান্ত হয়নি। এদিকে, মঙ্গলবার বিসিবি সভাপতির ঘোষণার মধ্যদিয়েই মুশফিকের আরজি উপেক্ষিত হয়েছে। কারণ শেষপর্যন্ত গ্রেডিং পদ্ধতি অনুসরণ করেই ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের দল বদল ২০ জুন এবং ১ জুলাই থেকে লিগ শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি। এতে সাধারণ ক্রিকেটাররা খুশি হলেও জাতীয় দলের কেউ-ই খুশি হতে পারেননি। বিশেষ করে পারিশ্রমিকের বিষয়ে খোঁজখবর করার পর হতাশা প্রকাশ করেছেন তাদের বেশির ভাগ। তবে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে সোমবারের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন পেসার ডলার মাহমুদ। বিলম্বে আসায় মুশফিকদের অনেক আলোচনাই তার শোনা হয়নি। প্রিমিয়ার লিগ প্রসঙ্গে ডানহাতি পেসার অলরাউন্ডার বলেন, 'আলোচনার সবটা না শুনলেও এটা বলতে পারি, সবাই লিগে খেলতে চায়। আমরা যারা জাতীয় দলের বাইরে তাদের জন্য ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমাদের জন্য জাতীয় দলের সবাই তো ২০ লাখ টাকা ছাড় দিতে পারে না। আমরা চাই লিগটা হোক। এই পদ্ধতিতে আমাদেরও তো ক্ষতি হবে। তারপরও চাই লিগ হোক।' প্রিমিয়ার লিগ প্রসঙ্গে জাতীয় দলের টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান শাহরিয়ার নাফীস বলেন, 'সবাই লিগ খেলতে চায়। এখন কত টাকা পারিশ্রমিক পাবে সেটা চিন্তার বিষয়। তবে আরো গুরুত্বপূর্ণ হলো, টাকা পাওয়ার নিশ্চয়তা। বিপিএলে টাকা পাচ্ছি না আমরা। প্রিমিয়ার লিগেও একই হলে ঠকতে থাকব আমরা।' এদিকে, জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের একান্ত বৈঠককে ভালো চোখে দেখেনি ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) কর্মকর্তারা। কোয়াব সভাপতি নাঈমুর রহমান দুর্জয় বলেন, 'আমরা লিগের জন্য অনেক আগে থেকে চেষ্টা করছি। জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা যখন জিম্বাবুয়েতে ছিল তখন তাদের জন্য লিগ হয়নি। বাকি খেলোয়াড়রা তা মেনে নিয়ে অপেক্ষা করেছে। সবাই আশা করে রয়েছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা দেশে ফিরে তাদের সঙ্গে বসে একটা সিদ্ধান্ত নেবে। কিন্তু তারা নিজেদের আলাদা করে ফেলেছেন। এটা খুবই হতাশাজনক। বিষয়টি নিয়ে আমরা বসব।' প্রিমিয়ার ক্রিকেটে গ্রেডিং পদ্ধতিরও প্রশংসা করে দুর্জয় বলেন, 'আমি মনে করি, দীর্ঘ পরিসরে এর সুফল পাওয়া যাবে। এখন হয়তো অনেকের কাছে খারাপ লাগবে। কিন্তু এটা মেনে নিলে পরবর্তীতে আরো ভালো হবে। কারণ এ পদ্ধতিতে ক্লাব এবং খেলোয়াড়দের চুক্তি থাকবে। পুরো টাকাটাই তারা পাবেন।'
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নবিএনপি সংসদে গিয়ে নির্বাচনকালীন সরকারের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাব দেবে বলে কি মনে করেন?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |