বুধবার, জুন, ১৯, ২০১৩: আষাড় ০৫, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ৯ শাবান, ১৪৩৪ হিজরি, ০৮ বছর, সংখ্যা ১৪ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
গলাচিপা রাঙ্গাবালীর বন উজাড়দস্যুরা বনবিভাগের অসাধু কর্মকর্তা কর্মচারীর যোগসাজশে নির্বিচারে কেটে নিয়ে যাচ্ছে গাছশফিউল সোহাগ গলাচিপা ![]() গলাচিপায় বনায়নের গাছ কেটে নৌকায় পাচার করা হচ্ছে -যাযাদিপটুয়াখালীর গলাচিপা ও রাঙ্গাবালীর বাঁধবাগানসহ বনাঞ্চল উজাড় হয়ে যাচ্ছে। বনদস্যুরা বনবিভাগের একশ্রেণির কর্মকর্তা ও কর্মচারীর যোগসাজশে রাতে নির্বিচারে গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছে। তারা চরের বনাঞ্চল থেকে শুরু করে সামাজিক বনায়নের গাছ অবাধে কেটে নিচ্ছে। কেটে নেয়া গাছের অধিকাংশই প্রকাশ্যে নৌকা ও ট্রলার বোঝাই করে ভোলাসহ বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হচ্ছে। বন বিভাগের রাঙ্গাবালী রেঞ্জের আওতায় চরআগস্তি বিটের চরবাংলা ও চরনজিরসহ ৪টি দ্বীপে ৩ হাজার একরেরও বেশি বনাঞ্চল রয়েছে। নতুন বাংলা নামে আরো একটি বনাঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। এছাড়া পাউবোর ৫৫/৩ নাম্বার পোল্ডারের গলাচিপার চরকাজল, চরবিশ্বাস ও রাঙ্গাবালীর চরআগস্তি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ৩৫ কিলোমিটার বাঁধ বাগানসহ সামাজিক বনায়ন রয়েছে। দু-তিন দশকে কয়েক লাখ চারা রোপণ করে এ সামাজিক বনায়ন গড়ে তোলা হয়। একাধিক বনদস্যু বাহিনীর চোরাই গাছকে কেন্দ্র করে চরফ্যাশন ও গলাচিপার সীমান্তবর্তী চরনলুয়া গ্রামে কয়েকটি স' মিল ও নৌকা-ট্রলার তৈরির কারখানা গড়ে উঠেছে। চরআগস্তি বিট এলাকা সরেজমিন ঘুরেও বন লুটপাটের দৃশ্য দেখা গেছে। প্রতিটি বনাঞ্চলে অসংখ্য গাছের গোড়া পড়ে রয়েছে। বেড়িবাঁধের সামাজিক বনাঞ্চলের অনেক জায়গা দেখে বোঝার উপায় নেই যে, এক সময়ে এখানে গভীর অরণ্য ছিল। অসংখ্য মেহগনি, রেইনট্রি, শিশু, ইপিল ইপিল, জিলাপি ও বাবলা গাছের গোড়া লুটপাটের সাক্ষ্য দিচ্ছে। চরআগস্তির পার্শ্ববর্তী রামনাবাদ নদী দিয়ে প্রায় প্রতিদিন বনদস্যুদের প্রহরায় মেহগনি গাছ ভর্তি নৌকা ভোলায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। গলাচিপার চরকাজল চ্যানেল দিয়েও নৌকা ভর্তি গাছ পাচার করা হচ্ছে। বনভিাগের রাঙ্গাবালীর চরআগস্তি ক্যাম্পের বিট অফিসার শেখর চন্দ্র দাস জানান, পর্যাপ্ত লোকবল না থাকায় নিরবচ্ছিন্ন নজরদারি সম্ভব নয়। এ কারণে দু-একটি জায়গায় গাছ চুরির ঘটনা ঘটে। বনদস্যুদের নামে মামলাও করা হয়েছে। রাঙ্গাবালী রেঞ্জ কর্মকর্তা মকবুল আহম্মেদ জানান, বনবিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের যোগসাজশে লুটপাটের অভিযোগ ভিত্তিহীন। কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাগান রক্ষায় আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে।
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন Warning: simplexml_load_file() [function.simplexml-load-file]: data_files/515/most_view.xml:1170: parser error : Premature end of data in tag hl2 line 1170 in /home/jjdin/public_html/most_view_xml.php on line 5 Warning: simplexml_load_file() [function.simplexml-load-file]: <hl2>&#2488;&#2494;&#2468;&#2453;&#2 in /home/jjdin/public_html/most_view_xml.php on line 5 Warning: simplexml_load_file() [function.simplexml-load-file]: ^ in /home/jjdin/public_html/most_view_xml.php on line 5 Warning: simplexml_load_file() [function.simplexml-load-file]: data_files/515/most_view.xml:1170: parser error : Premature end of data in tag news line 1164 in /home/jjdin/public_html/most_view_xml.php on line 5 Warning: simplexml_load_file() [function.simplexml-load-file]: <hl2>&#2488;&#2494;&#2468;&#2453;&#2 in /home/jjdin/public_html/most_view_xml.php on line 5 Warning: simplexml_load_file() [function.simplexml-load-file]: ^ in /home/jjdin/public_html/most_view_xml.php on line 5 Warning: simplexml_load_file() [function.simplexml-load-file]: data_files/515/most_view.xml:1170: parser error : Premature end of data in tag visit line 2 in /home/jjdin/public_html/most_view_xml.php on line 5 Warning: simplexml_load_file() [function.simplexml-load-file]: <hl2>&#2488;&#2494;&#2468;&#2453;&#2 in /home/jjdin/public_html/most_view_xml.php on line 5 Warning: simplexml_load_file() [function.simplexml-load-file]: ^ in /home/jjdin/public_html/most_view_xml.php on line 5 Warning: Invalid argument supplied for foreach() in /home/jjdin/public_html/most_view_xml.php on line 7 Fatal error: Call to undefined method stdClass::asXML() in /home/jjdin/public_html/most_view_xml.php on line 49 |