মঙ্গলবার, জুন, ১৮, ২০১৩: আষাড় ০৪, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ৮ শাবান, ১৪৩৪ হিজরি, ০৮ বছর, সংখ্যা ১৩ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
|
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য গণতন্ত্রের
জন্য অশনিসঙ্কেত : বিএনপিযাযাদি রিপোর্ট নির্দলীয় সরকার চাইলে নির্বাচনই হবে না- সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এ বক্তব্যকে 'গণতন্ত্রের জন্য অশনি সঙ্কেত' বলে আখ্যায়িত করেছেন বিএনপি ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। একই সঙ্গে বিরোধী জোটের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তি এবং নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনর্বহাল দাবিতে আগামী ২২ জুন সারাদেশের উপজেলা ও থানা সদরে বিক্ষোভ সমাবেশের কর্মসূচির ঘোষণাও করেন তিনি।সোমবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ১৮ দলীয় জোটের মহাসচিব পর্যায়ের নেতারা বৈঠক করেন। এরপর সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এর আগে মির্জা ফখরুলের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর মজলিশে শুরার সদস্য রেদোয়ান উল্লাহ সাহেদী, খেলাফত মজলিশের মহাসচিব অধ্যাপক আহমেদ আবদুল কাদের, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির মহাসচিব আলমগীর মজুমদার, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির খন্দকার লুৎফর রহমান, পিপলস পার্টির মহাসচিব ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ন্যাপ মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, লেবার পার্টির মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদি, মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আবদুল মালেক চৌধুরী, ইসলামিক পার্টির মহাসচিব আবদুর রশীদ প্রধান, পিপলস লীগের মহাসচিব সৈয়দ মাহবুব হোসেন, ন্যাপ ভাসানীর মহাসচিব খালেদ শাহরিয়ার, ইসলামী ঐক্যজোটের যুগ্ম মহাসচিব মুফতি মুহাম্মদ তৈয়ব প্রমুখ। এছাড়া বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, সহ-দপ্তর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, শামীমুর রহমান শামীম, আসাদুল করীম শাহিন উপস্থিত ছিলেন। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী রোববার সংসদে বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক চাইলে নির্বাচনই হবে না। এটা গণতন্ত্রের জন্য অশনি সঙ্কেত। তার এই বক্তব্য আমাদের উদ্বেগ আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তার ভাষার মধ্যে তারা স্বৈরাচারের ভাষা দেখছেন। তারা উদ্বিগ্ন যে এই ভাষায় কথা বললে গণতন্ত্র থাকবে কি থাকবে না। মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, নির্দলীয় সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন হবে- চার সিটি নির্বাচনে ব্যালেটের মাধ্যমে জনগণ ওই দাবির প্রতি গণরায় জানিয়েছে। তারা আশা করেন এবার জনগণের এই রায়ের প্রতি সরকার শ্রদ্ধাশীল হবেন। তিনি বলেন, জনগণের ভাষা বুঝে সরকার নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে পুনর্বহালে সব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। ফখরুল বলেন, সরকারকে বলব, সব নেতাকর্মী-আলেম-উলামাদের মুক্তি দিয়ে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করুন। পরবর্তী নির্বাচনের পথকে সুগম করুন। মির্জা ফখরুল বলেন, চার সিটি নির্বাচনে মানুষ সরকারের দুর্নীতি, দুঃশাসন, রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থতার বিরুদ্ধে রায় দিয়েছে। আমরা এই রায়কে গণরায় হিসেবে দেখছি। রাজশাহীর জামায়াতে ইসলামীর আমির আতাউর রহমানের জামিনে মুক্তির পর জেলগেট থেকে আবারো গ্রেপ্তারের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে তার মুক্তি দাবিও জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব। তিনি বলেন, 'সারাদেশে বিরোধী দলের নেতাকর্মী-আলেমদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের, নির্যাতন বন্ধ ও আটক নেতাদের মুক্তি এবং নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে সারাদেশের উপজেলা ও থানা সদরে ২২ জুন বিক্ষোভ সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।' ফখরুল জানান, বৈঠকে গত শনিবার চার সিটি করপোরেশনে জোট সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হওয়ায় ১৮ দল সন্তোষ প্রকাশ করেছে। এজন্য চার মহানগরবাসীদের অভিনন্দন জানিয়েছে তারা। এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
প্রথম পাতা -এর আরো সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নতত্ত্বাবধায়ক সরকার চাইলে নির্বাচনই হবে না_ প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে আপনি কি অশনিসঙ্কেত
মনে করেন?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |