বুধবার, মে, ২২, ২০১৩: জ্যৈষ্ঠ ৮, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ১১ রজব , ১৪৩৪ হিজরি, ০৭ বছর, সংখ্যা ৩৩৯ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
|
বাজির
ঘোড়া
পাকিস্তান!ক্রীড়া ডেস্ক ![]() স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ শেষ। আজ (বৃহস্পতিবার) আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে মাঠে নামছে পাকিস্তান। ফলে আগামী মাসে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য প্রস্তুতিটা বেশ ভালো মতোই সেরে নেয়ার সুযোগ পাচ্ছে তারা। আর সাম্প্রতিক ফর্ম ও প্রস্তুতির আলোকে এখন অনেক ক্রিকেটবোদ্ধার ফেভারিটের তালিকায় অন্যতম পাকিস্তান।এই নিয়ে সপ্তমবারের মতো আয়োজিত হচ্ছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। টুর্নামেন্টের এটিই সর্বশেষ আসর। কেননা, বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি কোনো ফরম্যাটেই একটির বেশি টুর্নামেন্ট আয়োজন করার পক্ষপাতি নয়। যেহেতু নিয়মিতই ওয়ানডে বিশ্বকাপ আয়োজিত হচ্ছে, তাই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি আয়োজনের আর কোনো প্রয়োজনীয়তা দেখছে না সংস্থাটি। মিনি বিশ্বকাপ নামে পরিচিত টুর্নামেন্টটির যাত্রা শুরু হয়েছিল ঢাকায়, ১৯৯৮ সালে। আর ক্রিকেটের জন্মভূমি ইংল্যান্ডে এসেই থামছে এর পথচলা। জুনের ৬ তারিখ থেকে শুরু হতে যাওয়া শেষ আসরে অংশ নিচ্ছে বিশ্ব ক্রিকেটের সেরা আটটি দল। পাকিস্তান ছাড়া বাকি দলগুলো হচ্ছে- ওয়ানডের বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, শ্রীলংকা এবং নিউজিল্যান্ড। ওয়ানডে এবং টি২০ বিশ্বকাপের শিরোপা ঘরে তুললেও এখনো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির স্বাদ পাওয়া হয়নি পাকিস্তানের। যেহেতু এটাই টুর্নামেন্টের শেষ আসর তাই হয়তো অধরা স্বপ্নটাকে পূর্ণ করতে একটু বেশিই মরিয়া থাকবে তারা। এটি ছাড়াও টুর্নামেন্টে মিসবাহ-উল হকের দলকে ক্রিকেটবোদ্ধাদের ফেভারিট ভাবার আরো কিছু কারণ রয়েছে। সেগুলোই এবার বিশ্লেষণ করা যাক- চলছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) খেলা। কাড়িকাড়ি অর্থ-কড়িসমৃদ্ধ ভারতের ঘরোয়া টি২০ টুর্নামেন্টটিতে ব্যস্ত রয়েছে অন্য দলগুলোর তারকা ক্রিকেটাররা। ফলে হুট করেই নিজেদের ওয়ানডের সঙ্গে খাপখাইয়ে নিতে বেশ বেগ পেতে হবে তাদের। কেননা, টি২০ ক্রিকেট আর ওয়ানডে ক্রিকেটের আবহের মধ্যে যথেষ্ট ভিন্নতা রয়েছে। অপরদিকে, আইপিএলে না খেলার কারণে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য প্রস্তুতিটা বেশ ভালো মতোই সারতে পেরেছে মিসবাহবাহিনী। অনেক ক্রিকেটবোদ্ধাই মনে করছেন, আইপিএলে না খেলতে পারাটা হয়তো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানের জন্য শাপেবর হবে। দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকে ফেরার পর আর কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেনি তারা। এ সময় দলের সব সদস্যই খেলেছে ঘরোয়া ওয়ানডে টুর্নামেন্ট প্রেসিডেন্ট কাপে। নিজেদের অঞ্চলের হয়ে খেলে তারা ৫০ ওভারের ম্যাচের প্রস্তুতিটা সেরে নিতে পেরেছে উত্তমরূপে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিকে সামনে রেখে প্রেসিডেন্ট কাপের পর অ্যাবোটাবাদে দলের সব ক্রিকেটারকে নিয়ে ছয় দিনের অনুশীলন ক্যাম্পও করেছে পাকিস্তান। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৪ হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থিত এই শহরের কন্ডিশন অনেকটা ইংল্যান্ডের মতোই। ফলে ইংলিশ কন্ডিশন সম্পর্কেও বেশ অভিজ্ঞতা অর্জন করতে সমর্থ হয়েছে পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা। শুধু যে প্রস্তুতিটাই ভালো হয়েছে তা কিন্তু নয়, অভিজ্ঞ দুই ক্রিকেটার ইউনুস খান ও শহীদ আফ্রিদির অনুপস্থিতিতেও এবারের পাকিস্তান দলটা বেশ ভারসাম্যপূর্ণ। দলে থাকা ক্রিকেটাররা যদি নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেন, তাহলে টুর্নামেন্টে ভালোকিছু অবশ্যই আশা করতে পারে পাকিস্তান। উদীয়মান নাসির জামশেদ ও আসদ শফিকের সঙ্গে অভিজ্ঞ মিসবাহ, মোহাম্মদ হাফিজ এবং শোয়েব মালিকের উপস্থিতিতে পাকিস্তানের ব্যাটিং বিভাগটা এক কথায় দারুণ। যারা বিশ্বের যেকোনো বোলিং লাইনআপকে দুমড়ে-মুছড়ে দিতে সক্ষম। ইনজুরির কারণে অভিজ্ঞ উমর গুলকে না পেলেও দলের বোলিং লাইনআপটাও দারুণ শক্তিশালী। অভিজ্ঞতার ঘাটতি থাকলেও শিবিরে থাকা দুই পেসার জুনাইদ খান ও মোহাম্মদ ইরফান ইংল্যান্ডের পেস সহায়ক উইকেটে যে ত্রাস ছড়াবেন, এ কথা বলাই বাহুল্য। তাছাড়া স্পিন জাদুকর সাঈদ আজমলতো রয়েছেনই। 'ওয়ান ম্যান আর্মি' হিসেবে অতীতে একাধিকবার নিজেকে প্রমাণ করেছেন ডানহাতি এই অফস্পিনার। এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নবিচারবহির্ভূত হত্যা ও গুম নিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য অগ্রহণযোগ্য_ মানবাধিকার নেত্রী সুলতানা কামালের এই বক্তব্যের সঙ্গে
আপনি কি একমত?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |