বৃহস্পতিবার, মে, ২৩, ২০১৩: জ্যৈষ্ঠ ৯, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ১২ রজব , ১৪৩৪ হিজরি, ০৭ বছর, সংখ্যা ৩৪০ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
|
নিজেকে নির্দোষ দাবি শ্রীশান্তেরক্রীড়া ডেস্ক ![]() আইপিএলে স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে দিলি্ল পুলিশের কাছে আটক হওয়া ভারতীয় জাতীয় দলের ক্রিকেটার শান্তাকুমারণ শ্রীশান্ত নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করেছেন। 'কঠিন সময়' পেরিয়ে দ্রুত ফিরে আসবেন বলেও জানিয়েছেন রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে খেলা এই পেসার।বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মঙ্গলবার আইনজীবীর মাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে শ্রীশান্ত দাবি করেছেন, কোনো ভুল করেননি তিনি। অথচ দিলি্ল পুলিশের দাবি, গত শুক্রবার জিজ্ঞাসাবাদের প্রথম দিনেই নিজের দোষ স্বীকার করে নিয়েছিলেন শ্রীশান্ত। জিজ্ঞাসাবাদের সময় নাকি কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন ৩০ বছর বয়সী এই পেসার। ওই বিবৃতিতে শ্রীশান্ত বলেছেন, 'আমি নির্দোষ, কোনো ভুল করিনি। আমি কখনোই স্পট ফিক্সিংয়ে জড়াইনি। স্বীকার করছি, জীবনের কঠিন সময় অতিক্রম করছি আমি।' স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে রাজস্থান রয়্যালসের তিন ক্রিকেটার শ্রীশান্ত, অজিত চান্দিলা ও অঙ্কিত চাভানকে মুম্বাই থেকে গ্রেপ্তার করে দিলি্ল পুলিশের একটি বিশেষ সেল। পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার তাদের আদালতে হাজির করা হয়েছিল। শুনানি শেষে তাদের জামিন আবেদন খারিজ করে আরো পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। তবে বিচারিক প্রক্রিয়াতে পূর্ণ আস্থা রয়েছে বলেও বিবৃতিতে শ্রীশান্ত বলেছেন, 'বিচার প্রক্রিয়ার ওপর পুরোপুরি আস্থা রয়েছে আমার। আমি আত্মবিশ্বাসী, সময় হলে সত্য বেরিয়ে আসবে। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করে আত্মমর্যাদার সঙ্গেই বেরিয়ে আসব আমি।' দিলি্ল পুলিশের দাবি, আটককৃত তিন ক্রিকেটারের স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার ফোন রেকর্ড তাদের কাছে রয়েছে। শ্রীশান্তের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযোগ, ৯ মে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে ম্যাচে স্পট ফিক্সিং করেছেন তিনি। এক ওভারে ১৪ বা এর বেশি রান দেয়ার জন্য তাকে ৪০ লাখ রুপি দেয়ার কথা ছিল জুয়াড়িদের। ঠিক হয়েছিল, নিজের দ্বিতীয় ওভার করার আগে ট্রাউজারের ওপর তোয়ালে রাখবেন শ্রীশান্ত। এরপর ওভারটা শেষ করতে বাড়তি সময় নেবেন, যাতে জুয়াড়িরা যথেষ্ট আয়ের ব্যবস্থা করতে পারে। সত্যি দেখা গেছে, ওভারের আগে তোয়ালে চেয়েছেন শ্রীশান্ত, এরপর স্ট্রেচিং করাসহ গা গরমে অনেকটা সময় নিয়েছিলেন তিনি। জুয়াড়ি জিজু জনার্ধন তখন ফোনে আরেক জুয়াড়িকে বলছিলেন, ওভারে ১৪ বা এর বেশি রান দেবেন শ্রীশান্ত। কিন্তু তিনটি বাউন্ডারি হজম করার পরও ওভার থেকে আসে মাত্র ১৩ রান। তবে এরপরও ওই ওভার থেকে কোটি কোটি টাকা আয় হয়েছিল জুয়াড়িদের। এই জিজুর সঙ্গে একসময় ক্লাবপর্যায়ে খেলেছেন শ্রীশান্ত। আর জুয়াড়িদের সঙ্গে শ্রীশান্তের যোগসূত্রও এই জিজু। এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নবিএনপি সংসদে গিয়ে নির্বাচনকালীন সরকারের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাব দেবে বলে কি মনে করেন?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |