মতামত :
¦
¦
সাংবাদিকদের পা ধরে মাফ চাইলেন ছাত্রলীগ কর্মীরাজবি প্রতিনিধি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত দুই সাংবাদিককে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় পা ধরে মাফ চাইলেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কর্মীরা।
বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে এ ঘটনার বিচার শেষে তারা মাফ চান। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শরিফুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
জানা যায়, গত ৩০ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্নচূড়া বাসে করে 'দৈনিক মানবকণ্ঠ'র বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক সোহাইল রানা এবং 'আমাদের অর্থনীতি'র প্রতিবেদক নূর সোলাইমান যাত্রাবাড়ী যাচ্ছিলেন। এ সময় ছাত্রলীগের কর্মী ও রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী নাজমুল হাসান, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের আবদুল্লাহিস সাদেকসহ ৮-১০ জন বাসে বিশৃঙ্খলা করছিলেন। সাংবাদিক সোহাইল এবং সোলাইমান তাদের বাধা দেন। এ সময় তাদের মারধর করা
হয়। পাশেই দাঁড়ানো বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি মনজুরুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তালুকদার সাংবাদিকদের বাঁচাতে গেলে তাদেরও মারধর করে বাস থেকে নামিয়ে দেয়া হয়।
এই ঘটনার ১৯ দিন পর গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে বিচারে বসেন সাংবাদিক এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। বিচার শেষে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশে তার সংগঠনের কর্মীরা আহত দুই সাংবাদিক এবং ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পা ধরে মাফ চান। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের দপ্তরে অঙ্গীকারনামা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জসিম রেজা জানান, ওই ঘটনার পরদিন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে গ্রীষ্মকালীন ছুটি চলছিল। তাই বিচারে কয়েক দিন দেরি হয়েছে।
জবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম জানান, অভিযুক্ত কর্মীরা বিশৃঙ্খলা করে ছাত্রলীগের বদনাম করছেন। তাই সংগঠনের সব কর্মসূচিতে তাদের নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
প্রথম পাতা -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্ননির্বাচন হবে না বলাটাই রাষ্ট্রদ্রোহিতা_ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কী একমত?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2010 The Jaijaidin