শনিবার, মে, ১৮, ২০১৩: জ্যৈষ্ঠ ৪, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ৭ রজব সানী, ১৪৩৪ হিজরি, ০৭ বছর, সংখ্যা ৩৩৫ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
কলঙ্কিত আইপিএলদোষী হলেই
৭ বছরের জেল!ভারতীয় দ-বিধি শাস্তি ধারা ৪২০ (প্রতারণা) সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাবাস ধারা ১২০ বি: (ষড়যন্ত্র) অপরাধের গুরুত্ব অনুযায়ী মৃত্যুদ- অথবা যাবজ্জীবন কারাবাস অথবা দুই বছর বা তার বেশি সশ্রম কারাবাস।ক্রীড়া ডেস্ক ![]() আইপিএলে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযুক্তদের বৃহস্পতিবার আদালতে নেয়া হচ্ছে -ওয়েবসাইটইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে প্রথম আসরের চ্যাম্পিয়ন রাজস্থান রয়্যালসের তিন ক্রিকেটার শান্তা কুমারণ শ্রীশান্ত, অঙ্কিত চাভান এবং অজিত চান্দিলাকে। প্রতারণা ও ষড়যন্ত্র করার অভিযোগ এনে ইতোমধ্যে তাদের বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করেছে দিলি্ল পুলিশ। তদন্ত শেষে দোষী প্রমাণিত হলেই ৭ বছরের জন্য জেলে যেতে হতে পারে ওই তিন ক্রিকেটারকে। আর তা ঘটলে তারাই হবেন দুর্নীতির দায়ে কারাগারে যাওয়া প্রথম ভারতীয় ক্রিকেটার। সঙ্গে আজীবনের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নির্বাসিতও হতে পারেন তারা।২০১০ সালে ইংল্যান্ড সফরে লর্ডস টেস্টে স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছিলেন পাকিস্তানের তিন ক্রিকেটার- সালমান বাট, মোহাম্মদ আসিফ এবং মোহাম্মদ আমের। এরপর অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- দেয়া হয়েছিল তাদের। তবে ভারতীয় ক্রিকেটাঙ্গনে দুর্নীতির দায়ে কারাবাসের ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আজহারউদ্দিন ও সহ-অধিনায়ক অজয় জাদেজাকে ম্যাচ পাতানোর দায়ে নিষিদ্ধ করা হলেও ওই সময় যথাযথ প্রমাণের অভাবে অপরাধী আইনে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি তাদের বিরুদ্ধে। তবে আজহার আর জাদেজার মতো এবার হয়তো পার পাবেন না শ্রীশান্তরা। কারণ দিলি্ল পুলিশের হাতে বেশকিছু প্রমাণ ইতোমধ্যেই মজুদ রয়েছে। ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের পুলিশ বিভাগ যেভাবে হাতেনাতে ধরতে পেরেছিল স্পট ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের, ঠিক একই পদ্ধতি অনুসরণ করেছে দিলি্ল পুলিশ। জুয়াড়িদের সঙ্গে ক্রিকেটারদের ফোনালাপ ও এসএমএস রেকর্ড করে আইপিএলের এই স্পট ফিক্সিং কেলেঙ্কারি ফাঁস করে দিয়েছেন দিলি্লর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এখন এই তিন ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে ১২০-বি ও ৪২০ ধারায় আনা হচ্ছে দর্শকদের সঙ্গে প্রতারণা করার অভিযোগ। যার শাস্তি হিসেবে ৭ বছর কারাগারে কাটাতে হতে পারে শ্রীশান্ত, অঙ্কিত চাভান ও অজিত চান্দিলাকে। আর যদি দিলি্ল পুলিশের হাতে এমন প্রমাণ এসে যায় যে, ওই ক্রিকেটাররা স্পট ফিক্সিংয়ের ক্ষেত্রে তাদের দলের মালিকদের 'এজেন্ট' হিসেবে কাজ করেছেন, তাহলে সর্বর্োচ্চ ১০ বছরের জন্যও কারাদ- হতে পারে। গোয়েন্দা সূত্র মতে, মার্চে দুবাইয়ের একটি ফোন কল ট্র্যাপ করে আইপিএলে ফিক্সিংয়ের বিষয়ে জানতে পেরেছিল পুলিশ। ফোনটি দুবাই থেকেই করা হয়েছিল, নাকি দুবাইয়ের নাম্বার দিয়ে অন্য কোনো দেশ থেকে করা হয়েছিল; তা অবশ্য নিশ্চিত করে বলতে পারেনি তারা। এরপর থেকেই সন্দেহভাজন জুয়াড়ি ও ক্রিকেটারদের ওপর নজর রেখেছিল তারা। ফোনে অাঁড়ি পাতাও হচ্ছিল। এসব তথ্য-উপাত্ত ঘেঁটেই ক্রিকেটার ও জুয়াড়িদের একাংশ চিহ্নিত করতে সমর্থ হয় পুলিশ। এমনকি তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে পুলিশ কর্তারা মাঠে বসে খেলাও দেখেছেন। আর সবকিছু দেখে একেবারে নিশ্চিত হয়েই তাদের গ্রেপ্তার করেছে তারা। Warning: simplexml_load_file() [function.simplexml-load-file]: data_files/483/news_hit.xml:107: parser error : expected '>' in /home/jjdin/public_html/news_hit_update.php on line 4 Warning: simplexml_load_file() [function.simplexml-load-file]: <news_hit_6733>>15</news_hit_67334> in /home/jjdin/public_html/news_hit_update.php on line 4 Warning: simplexml_load_file() [function.simplexml-load-file]: ^ in /home/jjdin/public_html/news_hit_update.php on line 4 Fatal error: Call to undefined method stdClass::asXML() in /home/jjdin/public_html/news_hit_update.php on line 15 |