মতামত :
¦
¦
আলোচনা হবে শুধু অন্তর্বর্তীকালীন সরকারপ্রধান নিয়ে : আশরাফযাযাদি রিপোর্ট রোববার ধানম-ির আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তৃতা করেন দলের সাধারণ সম্পাদক ও এলজিআরডিমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম -যাযাদিআওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও এলজিআরডিমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার নয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনেই আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। আর এই সরকারের প্রধান কে হবেন, তা নিয়েই বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা হবে। এছাড়া সংলাপে আর কোনো বিষয় থাকবে না।
রোববার দুপুরে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর ধানম-ির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। গত ১৭ মে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বর্ধিত সভায় গৃহীত রাজনৈতিক প্রস্তাব ও সিদ্ধান্ত তুলে ধরার জন্য এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশে আর সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার, অর্থাৎ ১/১১-এর পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হতে দেয়া হবে না। যে কোনো মূল্যে সংবিধানকে সমুন্নত রাখা হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নামে কোনো অসাংবিধানিক ব্যবস্থা বাংলাদেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।
তিনি বলেন, তারা বিভিন্ন সময় মিডিয়ার মাধ্যমে বিরোধী দলকে নির্বাচনকালীন সরকার পদ্ধতি সংক্রান্ত বিভিন্ন ফর্মুলা দিয়েছেন। সেসব ফর্মুলা নিয়ে তাদের আলোচনার আহ্বানও জানিয়েছেন। কিন্তু বেগম জিয়া আলোচনার বিষয়টিকে কখনোই গুরুত্বের সঙ্গে নেননি। তিনি বলেছিলেন, তলে তলে আলোচনা হবে না। আবার প্রধানমন্ত্রীর আলোচনার প্রস্তাবের পর তিনি তাকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন। এখন তিনি আশা করবেন , বেগম জিয়া নিকট অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে আলোচনায় বসবেন। কারণ, আলোচনা করে ঐকমত্যে পেঁৗছাই উত্তম পথ।
যুদ্ধাপরাধের অভিযুক্ত মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর সাক্ষী সুরঞ্জন বালাকে ভারতের কারাগারে পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে জানতে পেরেছেন, অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী তাকে আটক করে। পরে ভারত সরকার অবৈধ প্রবেশের কারণে তাকে জেলে পাঠায়।
'আগামী এক মাসের জন্য সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ'_ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই আদেশ সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন কিনা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, সব সময় সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করা সম্ভব হয় না। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করা যায় না। এসব দুর্যোগের সময় সবার প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্গতদের সাহায্য করা। এজন্য সরকার এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা শুধু বিরোধী দলের জন্য নয়, সরকারি দলসহ সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বর্ধিত সভার রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো তুলে ধরা হয়। এগুলো হচ্ছে দেশে বিএনপি-জামায়াত জোটের হত্যা, সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টার বিরুদ্ধে দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে দলের সর্বস্তরের সংগঠনকে অতি দ্রুত সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর সুসংগঠিত করতে হবে, যেসব জেলা-উপজেলায় সম্মেলন অসমাপ্ত রয়েছে, অবিলম্বে সেসব জেলা-উপজেলার সম্মেলন সম্পন্ন করতে হবে, সর্বস্তরের দলীয় সংগঠন এবং সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলোকে অবিলম্বে আসন্ন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে, দেশের সব পেশাজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ, মতামত বিনিময় ও সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে এবং অনতিবিলম্বে সারাদেশে দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সাংগঠনিক সফর করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য নূহ-উল-আলম লেলিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, বিএম মোজাম্মেল হোসেন, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অসীম কুমার উকিল প্রমুখ।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
প্রথম পাতা -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নঢাকায় আগামী এক মাস সব রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ করার সরকারি সিদ্ধান্ত আপনি সমর্থন করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2010 The Jaijaidin