বুধবার, জুন, ১৯, ২০১৩: আষাড় ০৫, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ৯ শাবান, ১৪৩৪ হিজরি, ০৮ বছর, সংখ্যা ১৪ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
|
পহেলা জুলাই মাঠে
নামছে এসপিবিএনতানভীর হাসান ![]() রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীসহ দেশি-বিদেশি ভিভিআইপিদের নিরাপত্তায় আগামী ১ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করতে যাচ্ছে পুলিশের 'স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন (এসপিবিএন)'। মূলত স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সহযোগী হিসেবে তারা কাজ করবে। একই সঙ্গে নাশকতামূলক গোপনীয় তথ্য উদ্ধারেও তারা নিয়োজিত থাকবে। তবে নিজস্ব অফিস, গাড়ি এবং পোশাক পেলেও ভিআইপিদের নিরাপত্তায় ব্যবহৃত আধুনিক অটোমেটিক অস্ত্র এখনো সরবরাহ করা হয়নি এই ইউনিটের সদস্যদের। এ অবস্থায় আগামী মাসের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইউনটের উদ্বোধন করবেন বলে জানিয়েছেন এসপিবিএনের ডিআইজি আফজাল হোসেন বিশ্বাস।জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীসহ দেশি-বিদেশি ভিভিআইপিদের নিরাপত্তায় ২০১১ সালের ২৬ ডিসেম্বর গঠন করা হয় পুলিশের স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন (এসপিবিএন) ইউনিট। কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং অফিস স্টাফসহ প্রায় ১ হাজার ৪০০ জন সদস্য নিয়ে কাজ শুরু করার কথা থাকলেও প্রথম পর্যায়ে ১৬৬ জন সদস্যকে রাজধানীর উত্তরার আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন হেডকোয়ার্টার্সে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। পরবর্তীতে এর সদস্য সংখ্যা বাড়িয়ে ৬০০ করা হয়। একজন ডিআইজি, একজন অতিরিক্ত ডিআইজি, দুইজন পুলিশ সুপার, ১৯ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং ৭ জন সহকারী পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে ৬০০ জন সদস্য দীর্ঘদিন প্রশিক্ষণ শেষে গত ১ ডিসেম্বর মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করার কথা ছিল। ওই সময় প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর। কিন্তু তাদের নিজস্ব অফিস, গাড়ি, পোশাক এবং অত্যাধুনিক অটোমেটিক অস্ত্র সরবরাহ করা নিয়ে নানা জটিলতা তৈরি হয়। এরপর মোহাম্মদপুরের ২০/৬ বাবর রোড়ে তাদের অফিস স্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে নিজস্ব পোশাক এবং অত্যাধুনিক গাড়ি সরবরাহ করা হয়। তবে এখনো পুলিশ সদর দপ্তরের ইকুইপমেন্ট শাখা থেকে ভিআইপিদের নিরাপত্তায় ব্যবহৃত অটোমেটিক সাব-মেশিনগান এবং একে-৪৭ রাইফেল সরবরাহ করা হয়নি। এ অবস্থায় বর্তমান পুলিশে ব্যবহৃত চাইনিজ রাইফেল এবং পিস্তল নিয়ে দায়িত্ব পালন করতে যাচ্ছেন এসপিবিএনের সদস্যরা। এসপিবিএনের দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিআইজি আফজাল হোসেন বিশ্বাস জানান, প্রতিদিন মাঠ ও অফিসে পালাক্রমে কাজ করবেন দুইজন পুলিশ সুপার, ১৯ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ৭ জন সহকারী পুলিশ সুপার, ১৬ জন ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র), ২০ জন ইন্সপেক্টর (সশস্ত্র), ২৮ জন ইন্সপেক্টর (শহর ও যানবাহন), ১০০ জন এসআই (নিরস্ত্র), ২৬ জন এসআই (সশস্ত্র), ১০ জন সার্জেন্ট, ৯৬ জন এএসআই, দুই শতাধিক কনস্টেবলসহ দুইজন মেডিকেল অফিসার, দুইজন ইন্সপেক্টর (ধর্ম শিক্ষক), দুইজন হিসাবরক্ষক, চারজন কুক, চারজন মেস ওয়েটার, চারজন সুইপারসহ সর্বমোট ৬০০ জন কাজ করবেন। এই ইউনিটের দায়িত্বে থাকবেন একজন ডিআইজি এবং একজন অতিরিক্ত ডিআইজি। এই ইউনিটের যানবাহনের মধ্যে রয়েছে- চারটি অত্যাধুনিক জিপ, তিনটি ডাবল কেবিন পিকআপ, একটি মাইক্রোবাস এবং একটি ডাই হাটসু টেরিওসসহ মোট ৯টি যানবাহন। ডিআইজি বলেন, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীসহ দেশি-বিদেশি ভিভিআইপিদের মূল নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে এসএসএফ। এর পাশাপপাশি জিআরপি, এপিবিএন এবং পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে আসছে। গত ১ ডিসেম্বর থেকে স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়নের (এসপিবিএন) আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু নানা কারণে তা সম্ভব হয়নি। জানুয়ারি মাসে স্বল্প পরিসরে কার্যক্রম শুরু করা হয়। আগামী ১ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে এই ইউনিট কাজ শুরু করবে। কোনো কারণে ওইদিন সম্ভব না হলে তার পরদিন শুরু করা হবেই। তিনি বলেন, পুলিশের নবগঠিত এই ইউনিট রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও ভিভিআইপি সদস্যরা যখন দেশের বিভিন্ন স্থানে যাবেন, তখন সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে। এজন্য প্রশিক্ষণের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীসহ ভিভিআইপিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনে তাদের যোগ্য ও দক্ষ হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। এই ইউনিটের সদস্যরা ভিভিআইপিদের সভা-সমাবেশসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আশপাশের এলাকায় সড়ক ও ভবনগুলোর নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন। একই সঙ্গে তারা নাশকতামূলক গোপনীয় তথ্য উদ্ধারেও কাজ করবেন। বর্তমানে এসপিবিএনের নিজস্ব কোনো কার্যালয় নেই। অস্থায়ীভাবে উত্তারা এপিবিএন সদর দপ্তর থেকে এই বিশেষ ইউনিটটি প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। মোহাম্মদপুর এলাকার ২০/৬ বাবর রোডে ডিআইজি কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এই ইউনিটের জন্য নিজস্ব ভূমি, বিদেশে প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হবে। এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
প্রথম পাতা -এর আরো সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নগ্রামীণ ব্যাংক ভেঙে ১৯ টুকরা
করার সরকারি সুপারিশ আদৌ গ্রহণযোগ্য ও বাস্তবসম্মত
বলে মনে করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |