বৃহস্পতিবার, জুন, ২০, ২০১৩: আষাড় ০৬, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ১০ শাবান, ১৪৩৪ হিজরি, ০৮ বছর, সংখ্যা ১৫ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
|
পদ্মা থেকে সরে যাওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জাইকারযাযাদি রিপোর্ট দুর্নীতির অভিযোগ এবং অর্থায়ন জটিলতায় দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা পদ্মা সেতু প্রকল্পে আর ফিরবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে জাপানের রাষ্ট্রায়ত্ত ঋণদাতা সংস্থা জাইকা। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি-জাইকার প্রেসিডেন্ট আকিহিকো তানাকা বলছেন, তাদের এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে জটিলতার কারণে সরে গেলেও পদ্মা সেতু প্রকল্পে জাইকা আবার ফিরতে পারে- এমন গুঞ্জনের অবসান ঘটল তানাকার এই কথায়। গত মাসে নয়াদিলি্লতে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) বার্ষিক সভায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জাইকা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে জাইকার দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের মহাপরিচালক মাসাকাত নাকাহার আভাস দেন, বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব দিলে জাইকা পদ্মা প্রকল্পে অর্থায়নের বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে। ওই বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী মুহিতও সাংবাদিকদের বলেছিলেন, তাদের ফিরে আসার অনুরোধ জানাব। আমার আশা, তারা ফিরে আসবে। তবে ভারত সফররত জাইকা প্রেসিডেন্ট মঙ্গলবার বলেন, পদ্মায় ফেরার কথা তারা ভাবছেন না। 'বাংলাদেশের এই প্রকল্পে স্বল্প সুদে ঋণ দেয়ার যে পরিকল্পনা ছিল তা ইতোমধ্যে বাতিল হয়ে গেছে। আমরা আর এ প্রকল্পের সঙ্গে নেই। তাছাড়া বাংলাদেশ সরকার বাইরের কারো আর্থিক সহযোগিতা না নিয়ে নিজস্ব অর্থায়নেই এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে।' বর্তমান সরকারের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পদ্মা সেতু বাস্তবায়নে ২৯১ কোটি টাকার একটি প্রকল্প পরিকল্পনা করা হয়েছিল, যাতে বিশ্বব্যাংকের ১২০ কোটি এবং জাইকার ৪০ কোটি ডলার ঋণ দেয়ার কথা ছিল। দুর্নীতির অভিযোগ ওঠার পর দীর্ঘ টানাপড়েন শেষে চলতি বছরের শুরুতে এই প্রকল্পে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সম্পর্কোচ্ছেদ করে বাংলাদেশ। ফলে জাইকা এবং অন্য দুই ঋণদাতা সংস্থা এডিবি ও আইডিবিও পদ্মা প্রকল্প থেকে সরে যায়। সে সময় জাইকার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছিল, 'বর্তমান কাঠামোয় আমাদের পক্ষে আর এ প্রকল্পের সহ-অর্থদাতা থাকা সম্ভব নয়। নীতির ক্ষেত্রে আপসহীন থাকতে আমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ।' বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি বাতিল হয়ে যাওয়ার পর সরকার নিজস্ব অর্থায়নে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের ঘোষণা দেয়। আসন্ন অর্থবছরের বাজেটে এ প্রকল্পে ৬ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা বরাদ্দও রেখেছেন অর্থমন্ত্রী মুহিত। যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ইতোমধ্যে জানিয়েছেন পদ্মা সেতুর মূল কাঠামো নির্মাণে আগামী ৩০ জুন ৯ হাজার ১৭২ কোটি টাকার দরপত্র ডাকা হবে। এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
প্রথম পাতা -এর আরো সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্ননির্বাচন হবে না বলাটাই রাষ্ট্রদ্রোহিতা_ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কী একমত?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |