বৃহস্পতিবার, জুন, ২০, ২০১৩: আষাড় ০৬, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ১০ শাবান, ১৪৩৪ হিজরি, ০৮ বছর, সংখ্যা ১৫ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
|
বিশ্বব্যাংকের রিপোর্ট আন্তর্জাতিক দাদাগিরির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত : আবুলযাযাদি রিপোর্ট বিশ্বব্যাংক বিশেষজ্ঞ প্যানেলের চূড়ান্ত রিপোর্টের মধ্যে কোনো নতুনত্ব, যুক্তি, প্রমাণ, সততা, ইন্টিগ্রিটি এবং জুরিসপ্রুডেন্স নেই বলে জানিয়েছেন সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা জানান তিনি।তিনি জানান, বিশ্বব্যাংক এক্সটারনাল বিশেষজ্ঞ প্যানেলের এ রিপোর্ট আন্তর্জাতিক আইন, ব্যক্তির মৌলিক অধিকার ও একটি সার্বভৌম স্বাধীন দেশের প্রচলিত আইন ও বিধিবিধানের প্রতি অবজ্ঞার শামিল। এই রিপোর্ট আন্তর্জাতিক দাদাগিরির (কর্তৃত্বপরায়ণতার) এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বলে প্রতীয়মান। পরামর্শক নিয়োগে তার কোনো সম্পৃক্ততা প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়ে ঢাকা সফরের সময় বিশেষজ্ঞ প্যানেল চেয়ারম্যান লুইস মোরেনো ওকাম্পো দুদক ও বাংলাদেশ সরকারের ওপর তাকে অভিযোগে অন্তর্ভুক্ত করার যে যুক্তিহীন চাপ দিয়েছিল- এ রিপোর্ট তারই পুনরাবৃত্তি। বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, 'এফআইআর-এ আমাকে আসামি না করায় 'দুদক-এর তদন্ত পরিপূর্ণ ও সঠিক হয়নি' বিশ্বব্যাংক প্যানেল বিশেষজ্ঞদের এ মতামত অগ্রহণযোগ্য এবং যেকোনো যুক্তি, আইন ও বিচারে ভুল সিদ্ধান্ত। 'আমার অনুমানটিই সঠিক'- এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেয়া যে কোনো দেশের আইনে অগ্রহণযোগ্য।' 'পরামর্শক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় আমি এসএনসি-লাভালিনকে সুযোগ করে দিয়েছি এবং অনৈতিক সুযোগ নিয়েছি রিপোর্টের এ বক্তব্য সম্পূর্ণ অসত্য। স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা, সত্যতা ও যথার্থতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে একটি ভুল সঙ্কেত। পরামর্শক নিয়োগের মূল দায়িত্ব ছিল টেন্ডার মূল্যায়ন কমিটির। মূল্যায়ন কমিটি ও বিশ্বব্যাংক সমন্বয়ের মাধ্যমে পরামর্শক নিয়োগ প্রক্রিয়ার সুপারিশ চূড়ান্ত করে। টেন্ডার মূল্যায়ন কমিটির মূল্যায়নে প্রথমে এসএনসি-লাভালিন দ্বিতীয় হয়। বিষয়টি সেতু বিভাগের পক্ষ থেকে বিশ্বব্যাংককে অবহিত করা হলে বিশ্বব্যাংক দুটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে গুরুত্ব দিয়ে মূল্যায়নের জন্য নির্দেশনা দেয়। বিশ্বব্যাংকের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করায় মূল্যায়নে এসএনসি-লাভালিন দ্বিতীয় থেকে প্রথম হয়। এ অবস্থায়, এসএনসি-লাভালিনকে দ্বিতীয় থেকে প্রথম করতে কোনো অনিয়ম বা ব্যত্যয় হয়ে থাকলে তা হয়েছে বিশ্বব্যাংক উক্ত নির্দেশনার কারণে, মূল্যায়ন কমিটির তরফ থেকে। এর সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা খোঁজা যে কোনো যুক্তিতে উদ্দেশ্যমূলক।' তিনি বলেন, 'বিশ্বব্যাংকের এক্সটারনাল বিশেষজ্ঞ প্যানেলের চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী মন্ত্রী হিসেবে আমি অনুমোদনকারী কর্তৃপক্ষ- এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল, উদ্দেশ্যমূলক এবং পক্ষপাতমূলক মন্তব্য। এ মন্তব্য অসত্য এবং পরামর্শক নিয়োগে আমাকে জড়ানোর একটি অশুভ হাতিয়ার। মন্ত্রী হিসেবে আমি চূড়ান্ত ক্রয়কারী কর্তৃপক্ষ নই, চূড়ান্ত অনুমোদনকারী নই। মন্ত্রী হিসেবে আমি মূল্যায়ন কমিটির সদস্যও নই। এক্ষেত্রে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি চূড়ান্ত অনুমোদনকারী। পরামর্শক নিয়োগের বিষয়টি সরকারি অনুমোদনের জন্য সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে উপস্থাপনের লক্ষ্যে আমার পর্যায়ে মন্ত্রী থাকাকালীন উত্থাপিত হয়নি। তাহলে আমি মন্ত্রী হিসেবে এ নিয়োগের সুপারিশের সঙ্গে জড়িত হই কীভাবে? বিশ্বব্যাংক বিশেষজ্ঞ প্যানেল মূল্যায়ন কমিটির মূল্যায়নে কোনো ত্রুটির কথা বলেনি। মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ সঠিক হয়নি বলে কোনো মন্তব্যও করেনি। মূল্যায়ন কমিটির সদস্যদের ওপর আমি মন্ত্রী হিসেবে প্রভাব বিস্তার করেছি- এ ধরনের কোনো অভিযোগও বিশ্বব্যাংক বিশেষজ্ঞ প্যানেল উত্থাপন করেনি। মূল্যায়ন কমিটির কোনো সদস্যও বলেননি যে, আমি তাদের কাছে কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য তদবির করেছি। তাহলে বিশ্বব্যাংক পরামর্শক নিয়োগে আমার সম্পৃক্ততা খোঁজা এবং এফআইআর-এ আমার নাম অন্তর্ভুক্তির চেষ্টা অসৎ উদ্দেশ্য বলে প্রতীয়মান। পদ্মা সেতুতে অর্থায়ন না করে সরকারকে হেয় প্রতিপন্ন করা, দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করা এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ববাসীকে আমার সম্পর্কে একটি ভুল ধারণা দেয়ার জন্য এ উদ্দেশ্যমূলক অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। যেখানে দরপত্র মূল্যায়ন নিরপেক্ষ হয়েছে এবং সেটি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের কোনো অভিযোগ নেই, সেখানে আমার সম্পৃক্ততা আসে কেন- এ প্রশ্ন ওকাম্পোর কাছে, দেশের আইনবিদদের কাছে, মিডিয়া ও দেশবাসীর কাছে।' এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
শেষের পাতা -এর আরো সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্ননির্বাচন হবে না বলাটাই রাষ্ট্রদ্রোহিতা_ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের এই বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কী একমত?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |