মতামত :
¦
¦
আশুলিয়ায় শ্রমিক অপহরণের অভিযোগে বিক্ষোভ ভাংচুরসাভার প্রতিনিধি আশুলিয়ায় একটি তৈরি পোশাক কারখানার এক শ্রমিককে অপহরণের অভিযোগ এনে কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকরা।
মঙ্গলবার সকাল থেকে আশুলিয়ার কাঠগড়া আমতলা এলাকার ম্যাগপাই কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড কারখানার প্রায় ২ হাজার শ্রমিক একযোগে কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ করতে থাকেন। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা কারখানার ২ থেকে ৭তলা পর্যন্ত প্রতিটি ফ্লোরে ব্যাপক ভাংচুর চালিয়ে কর্তৃপক্ষের লোকজনকে গেটে তালা দিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
খবর পেয়ে শিল্প পুলিশের সদস্যরা শ্রমিকদের সঙ্গে কর্তৃপক্ষের কথা বলিয়ে অপহৃত ওই শ্রমিককে ফিরিয়ে দেয়ার আশ্বাস দিলে তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেয়।
শ্রমিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার দুপুরে ম্যাগপাই কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেডের কারখানার তৃতীয় তলার ২ নাম্বার লাইনের ওভেন শাখার সুইং অপারেটর ফারুককে কারখানার গেটের সামনে থেকে মারধর করে এলাকার ৪ যুবক একটি মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যায়।
সোমবার বিকালে ওই যুবক টেলিফোনে তার এক সহকর্মীকে জানান, কিছু দিন আগে কারখানায় দুপুরের খাবার বিল বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন করায় কারখানা কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে তাকে জানিয়েছে অপহরণকারীরা।
অপহরণকারীরা আরো জানায়, আন্দোলনের ঘটনায় সর্বমোট ২০ জনের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে_ যার মধ্যে প্রথম নামটিই তার। পরে তাকে বিষয়টি অন্য শ্রমিকদের না বলার জন্য হুমকিও দেয় অপহরণকারীরা।
এ ঘটনায় কারখানার বাজারজাতকরণ ব্যবস্থাপক মাহফুজ সিদ্দিকের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, গতকাল সকালে আমরা শ্রমিকদের কাছে শুনেছি, বহিরাগত কিছু ছেলে আমাদের কারখানার এক শ্রমিককে তুলে নিয়ে গেছে। কিন্তু, কি কারণে কে বা কারা তাকে তুলে নিয়ে গেছে, সে বিষয়ে আমরা কোনো কিছু জানি না। আর কারখানা থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর রাস্তা থেকে যদি কোনো শ্রমিককে কেউ তুলে নিয়ে যায়, তাহলে সেই দায়-দায়িত্ব আমাদের না।
এ বিষয়ে শিল্প পুলিশ ১-এর পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি সংবাদকর্মীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। পরে তার কাছে আবারো জানতে চাইলে তিনি কোনো উত্তর না দিয়ে চলে যান।
এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা জানান, উনি এমনই! সাংবাদিক এবং শ্রমিকদের সঙ্গে একই রকম ব্যবহার করার কারণেই শ্রমিকরা অশান্ত হয়ে ওঠে। তাই শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায় বদলি হয়ে আসার পর থেকে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এমনকি তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন কারখানা মালিকের কাছ থেকে সুবিধা নেয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অন্যদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে কারখানাটি গতকালের জন্য ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
এ ছাড়া অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কারখানার সামনে মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।
 
এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন
শেষের পাতা -এর আরো সংবাদ
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নগ্রামীণ ব্যাংক ভেঙে ১৯ টুকরা করার সরকারি সুপারিশ আদৌ গ্রহণযোগ্য ও বাস্তবসম্মত বলে মনে করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল
আজকের ভিউ
পুরোনো সংখ্যা
2010 The Jaijaidin