বুধবার, জুন, ১৯, ২০১৩: আষাড় ০৫, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ৯ শাবান, ১৪৩৪ হিজরি, ০৮ বছর, সংখ্যা ১৪ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
|
সোনাইমুড়িতে আ'লীগ
বিএনপি সংঘর্ষভাংচুর, লুটতরাজ : পুলিশসহ আহত ২০বেগমগঞ্জ (নোয়াখালী) সংবাদদাতা নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার আমিশাপাড়া বাজারে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। এ সময় বাজারের ১৫টি ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর ও ব্যাপক লুটতরাজের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ বেশ কয়েক রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছুড়ে। সোমবার রাত ৯টা থেকে ১২টা পর্যন্ত দফায়-দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আমিশাপাড়াসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।স্থানীয় এলাকাবাসী জানান, আমিশাপাড়া খলিলুর রহমান ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক আল আামিনের সঙ্গে ছাত্রদল সমর্থক নজরুলের মধ্যে রোববার সকালে কথা কাটাকাটি হয়। ওইদিন রাতে নজরুল ও তার লোকজন আল-আমিনের বাড়িতে গিয়ে তাকে ছাত্রলীগের রাজনীতি ছেড়ে দেয়ার জন্য শাসায়। ভবিষ্যতে আর কখনো তাকে ছাত্রলীগের কর্মকা-ের সঙ্গে দেখা গেলে এজন্য তার পরিণতি ভয়াবহ হবে বলে হুমকি দেয়। বিষয়টি পরদিন সোমবার আল আমীন আমিশাপাড়া দলীয় নেতাদের জানান। এ ঘটনার জের ধরে ওইদিন বিকালে আমিশাপাড়া বাজারের ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন চায়ের দোকানে বসা থাকা অবস্থায় নজরুলের নেতৃত্বে বেশ কয়েকজন সিএনজি অটোরিকশাযোগে এসে মনা নামে এক ছাত্রলীগের কর্মীর ওপর অতর্কিতে হামলা চালায় । সঙ্গে সঙ্গে এ সংবাদ মহল্লায় ছড়িয়ে পড়লে এলাকার লোকজনসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে সন্ধ্যার পর আমিশাপাড়া বাজারে এসে জড়ো হয়। অন্যদিকে বিএনপি সংগঠনের নেতাকর্মীরাও বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পাল্টা জবাব দিতে একত্রিত হয়। একপর্যায়ে উভয়গ্রুপের মধ্যে শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল, কোমল পানীয়ের বোতল নিক্ষেপ। এ সময় বাজারের সব ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। সংবাদ পেয়ে রাত ৯টার দিকে সোনাইমুড়ি থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পেঁৗছে উভয় দলকে ধাওয়া দিয়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। একপর্যায়ে আমিশাপাড়া বাজারের দক্ষিণ থেকে বিএনপি কর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পুলিশের ওপর এলোপাতাড়ি ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। পুলিশ অবস্থা বেগতিক দেখে পিছুটান দিলে বিএনপি কর্মীরা বাজারের ওষুধ, গার্মেন্টসহ ১০ থেকে ১২টি দোকানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করে। এ সময় আওয়ামী লীগ কর্মীরাও বাজারের বিপরীত দিকে অবস্থান নিলে শুরু হয় আবার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। এ পর্যায়ে ৪/৫টি দোকান, ২টি সিএনজি অটোরিকশা, ১টি মোটরসাইকেল ভাংচুর করা হয়। এ সময় মুহুর্মুহু ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে অতিরিক্তি পুলিশ ঘটনাস্থলে পেঁৗছে। এ সময় পুলিশ কয়েক রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছুড়ে। সংঘর্ষে মনা (২২), বেচু (২০), আল আমিন (২০), সজিব (২০), নজরুল (২২), রহমান (২২), সোনাইমুড়ি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইকবাল বাহার, কনেস্টেবল ছামাদসহ ২০ জন আহত হয়। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ সংঘর্ষকালে পুলিশের নীরব ভূমিকা থাকায় এবং একপর্যায়ে তারা পিছু হটলে হামলাকারীরা তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাংচুর ও লটুপাটের সুযোগ পায়। এ প্রসঙ্গে সোনাইমুড়ি থানার ওসি আবদুস সামাদ জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও শান্ত রয়েছে। এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
শেষের পাতা -এর আরো সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নগ্রামীণ ব্যাংক ভেঙে ১৯ টুকরা
করার সরকারি সুপারিশ আদৌ গ্রহণযোগ্য ও বাস্তবসম্মত
বলে মনে করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |