বুধবার, জুন, ১৯, ২০১৩: আষাড় ০৫, ১৪২০ বঙ্গাব্দ: ৯ শাবান, ১৪৩৪ হিজরি, ০৮ বছর, সংখ্যা ১৪ |
| গুগল ওয়েব অনুসন্ধান | অনুসন্ধান |
|
|
ঢেউয়াকৃষি ও সম্ভাবনা ডেস্ক পঞ্চবটী বনে থাকে অশ্বত্থ, বট, বেল, অশোক ও আমলকি গাছ। প্রতিটি গাছ উপকারী, গুণেরও শেষ নেই। কিন্তু ওই শাল, মিয়াল, তমাল, কাঁঠাল, আম, চন্দ্রন চাঁপা খদির, পলাশ প্রভৃতি গাছের মাঝে ডেউয়া না থাকলে বনের পূর্ণতা পায় না। সমাজে ধোপা, নাপিত, মেথর না থাকলে চলে না, পৃথিবীও অচল হয়ে যাবে। বোটানিক্যাল গার্ডেনে এজন্য হিজলের পাশে ডুমুর আর ডেউয়ার স্থান থাকা চাই। আম, কাঁঠাল, তাল, জাম আমলকির পাশে এজন্য ডেউয়া বা গাবের স্থান হয়।ডেউয়ার ভদ্র নাম হলো ডেলো মাদার। পাড়াগাঁয়ে একে বলে ডেউয়া। পাকলে ডেউয়া মধুর অমস্নরসযুক্ত হয়। ডেউয়া শাখা-প্রশাখা বিশিষ্ট বড় গাছ। বড় বড় পাতা। গোল গোল, ৬-১২ ইঞ্চি লম্ব ও ৪-৭ ইঞ্চি চওড়া হয়। পাতা খসখসে, দেখতে অনেকটা কাক ডুমুরের পাতার মতো। তবে কাক ডুমুরের পাতা থেকে ডেউয়ার পাতা বড়। পাতার বৃন্ত লম্বা, আধ ইঞ্চি থেকে এক ইঞ্চি লম্বা। ফুল দু'রকম স্ত্রী ও পুরুষ আলাদা আলাদা। স্ত্রী ফুল আকারে বড়, বোঁটা ছোট ও মসৃণ। কিন্তু ফুলের পাপড়ি নেই, ছোট গুটির আকারে হয়। মঞ্জরি দ-ের ওপর ফুল সাজানো থাকে। স্ত্রী জাতীয় ফুল থেকেই ফল হয়। ফলের বাইরের আবরণ অসমান, এবড়ো-থেবড়ো। ফল কাঁচা অবস্থায় লালচে, পাকলে বাইরের রঙ পীত, কিন্তু ভেতরের শাঁস লাল হয়। কাঁঠালের কোয়ার মতো এবং তার মাঝে বীজও থাকে। সাধারণত ফাল্গুন মাসে ফুল হয়, আষাঢ়ে পাকতে শুরু করে। পাকলে ডেউয়া মধুর অমস্নরসমুক্ত হয়। কাঁচা ডেউয়া টক ও ক্ষুধা দূর করে। পাকা ফল ক্ষুধাবর্ধক হয়। আবার পাকা ডেউয়া পিত্ত ও যকৃতের উপকারী। আবার বেশি খেলে ক্লীবতা আনে। অরুচি ও পেটের বায়ুনাশে ডেউয়া এক অমৃত ফল। ব্রণের দূষিত ক্ষতের পুঁজ বের করে আনার জন্য ডেউয়ার ছালের পুলটিসের ব্যবহার হয়। কাঁচা ডেউয়ার রস এক-দেড় চা-চামচ এক কাপ ঠা-া পানিতে মিশিয়ে কয়েকদিন খেলে অস্বাভাবিক মেদ কমে। তবে মেদ কমাতে গেলে আলু, চিনি বা মিষ্টি খাওয়া না কমালে কিছু হবে না। এই প্রতিবেদন সম্পর্কে আপনার মতামত দিতে এখানে ক্লিক করুন |
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
সর্বাধিক মতামত
অনলাইন জরিপ
অনলাইন জরিপআজকের প্রশ্নগ্রামীণ ব্যাংক ভেঙে ১৯ টুকরা
করার সরকারি সুপারিশ আদৌ গ্রহণযোগ্য ও বাস্তবসম্মত
বলে মনে করেন কি?হ্যাঁনাজরিপের ফলাফল |